Bengal Industrial Project Latest Update: সেমিকন্ডাক্টর কেন্দ্র তৈরির জন্য দুর্গাপুর এবং পানাগড়ে জমি পরিদর্শন করবে মিৎসুবিশি গ্রুপ। শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত সেমিকন্ডাক্টর কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য ওই দুটি জায়গায় যাবেন জাপানি সংস্থার প্রতিনিধিরা। যে সংস্থার শীর্ষকর্তারা চলতি মাসের গোড়ার দিকেই শিল্পমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তের সঙ্গে বৈঠক সেরে গিয়েছেন। তাঁরা যে সেমিকন্ডাক্টর কেন্দ্র তৈরির কথা বলেন, সেজন্য প্রাথমিকভাবে পশ্চিম বর্ধমানের দুটি শহরের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেই রেশ ধরেই দুর্গাপুর এবং পানাগড়ে জমি পরিদর্শন করবে জাপানি সংস্থা।
পশ্চিমবঙ্গ হবে প্রথমসারির শিল্পের ডেস্টিনেশন

সেই রেশ ধরে শিল্পমন্ত্রী বলেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার শিল্প-বান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রাজ্যজুড়ে শিল্পের আর্থিক বৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে একটি সামগ্রিক পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।' সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগকারী-কেন্দ্রিক সংস্কারের ওপর ভিত্তি করে একটি স্বচ্ছ ও আধুনিক শিল্প নীতির মাধ্যমে ২০২৭ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গকে প্রথমসারির শিল্পের ডেস্টিনেশন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।’
১৫ অগস্টের মধ্যেই সম্ভবত রাজ্যের শিল্পনীতি
তারইমধ্যে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকবে আগামী ১৫ অগস্টের মধ্যেই ইনসেনটিভ-সহ বাংলার নয়া শিল্পনীতির ঘোষণা করা হতে পারে। তিনি বলেছেন, ‘আমরা আশা করছি যে ১৫ অগস্টের মধ্যে একটি শিল্পনীতির ঘোষণা করে দিতে পারব। তাতে একগুচ্ছ ইনসেনটিভ থাকবে। সেই ইনসেনটিভ অন্যান্য রাজ্যের মতো নাও হতে পারে। কিন্তু সেই বিষয়গুলির সঙ্গে অবশ্যই অনুকূল পরিবেশ মিলবে।’
জোর কর্মসংস্থানে, অর্থনৈতিক শরণার্থীর যুগ শেষের চেষ্টা
{{/usCountry}}জোর কর্মসংস্থানে, অর্থনৈতিক শরণার্থীর যুগ শেষের চেষ্টা
{{/usCountry}}আর সেই শিল্পের বিকাশের মধ্যেই কর্মসংস্থানের বিষয়টিও মাথায় রাখা হবে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে কর্মসংস্থান সৃষ্টি। তাঁর কথায়, ‘সরকার শিল্পের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে এবং বিনিয়োগ, সম্প্রসারণ ও দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক বৃদ্ধির হার ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
একইসুরে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যে প্রচুর দক্ষ কর্মী আছেন। যাঁরা শিল্পের বিকাশের জন্য আদর্শ। কর্মসংস্থান তৈরি এবং রাজ্যেই দক্ষ কর্মীদের রাখার লক্ষ্যে বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ বা ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা প্রয়োজন। তাঁর কথায়, ‘রাজ্যের অভ্যন্তরে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের অভাবের কারণে অনেক দক্ষ ব্যক্তি কাজের সন্ধানে অন্যত্র পাড়ি জমাতে বাধ্য হচ্ছেন এবং কার্যত অর্থনৈতিক উদ্বাস্তুতে পরিণত হচ্ছেন।’