BharatNet project in Bengal: বাংলার গ্রামে-গ্রামে হাইস্পিড ইন্টারনেট পৌঁছাবে! ‘ভারত নেট’ প্রকল্পে এল জোয়ার
BharatNet project in Bengal: বাংলার গ্রামে-গ্রামে হাইস্পিড ইন্টারনেট পৌঁছাবে। ‘ভারত নেট’ প্রকল্পে জোয়ার এল পশ্চিমবঙ্গে। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করে ফেলেছে বিএসএনএল। সেই প্রকল্পের ফলে কী লাভ হবে?
BharatNet project in Bengal: পশ্চিমবঙ্গের গ্রামে-গ্রামে 'ভারত নেট' পৌঁছে দেওয়ার কাজে গতি এল। রাজ্যে পালাবদলের পরে কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে বিএসএনএলকে ‘রাইট অফ ওয়ে’ (আইনি অনুমোদন,যা কোনও নির্দিষ্ট কারণে কোনও সংস্থাকে বা কোনও ব্যক্তিকে অন্যের জমির উপর দিয়ে যাওয়ার বা ব্যবহারের অনুমতি দেয়) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আর ওই অনুমোদন পাওয়ার ফলে অপটিক্যাল ফাইবার কেবল পাতার ক্ষেত্রে যে বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছিল, সেই জট কেটে গেল। অর্থাৎ আরও দ্রুতগতিতে কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে বিএসএনএল।

রাজ্য সরকারের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর
সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গে সংশোধিত ভারত নেট প্রকল্প চালু করতে মে'তেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে বিএসএনএলের মউ স্বাক্ষর হয়েছে। সেই মউ স্বাক্ষরের পরে জুনেই প্রায় ৫০০ কিলোমিটার ফাইবার কেবল পাতা হয়েছে বলে বিএসএনএল সূত্রে খবর।
আগামিদিনের কী কী লক্ষ্য?
তবে সেখানেই থামতে চায় না বিএসএনএল। সূত্রের খবর, আগামী তিন বছরে ব্লক স্তর থেকে গ্রাম পঞ্চায়েত স্তর পর্যন্ত ১৮,০০০ কিলোমিটার কেবল পাতার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। তাছাড়াও হাইস্পিড ব্রডব্যান্ড পরিষেবার জন্য আরও ৬০,০০০ কিমি কেবল পাতার পরিকল্পনা করেছে বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ।
'ভারত নেট' প্রকল্প আসলে কী?
এমনিতে 'ভারত নেট' হল কেন্দ্রীয় সরকারের স্বপ্নের প্রকল্প, যেটির মাধ্যমে দেশের সব গ্রাম পঞ্চায়েতে ব্রডব্যান্ড পরিষেবা মিলবে। সমস্ত টেলিযোগাযোগ পরিষেবা প্রদানকারীকে ব্রডব্যান্ড সংযোগের অবাধ সুবিধা প্রদান করার লক্ষ্যেই সেই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
তার ফলে মোবাইল অপারেটর, ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী (ISP), কেবল টিভি অপারেটর এবং কন্টেন্ট প্রদানকারীদের মতো অপারেটররা ভারতের গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ই-স্বাস্থ্য, ই-শিক্ষা এবং ই-গভর্ন্যান্সের মতো বিভিন্ন পরিষেবা চালু করা যাবে। সবমিলিয়ে গ্রামীণ ভারতের ক্ষমতায়ন হবে। ত্বরান্বিত হবে আর্থিক বৃদ্ধির গতি। আর সেই লক্ষ্যেই পশ্চিমবঙ্গে 'ভারত নেট'-র কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। আপাতত সেই প্রকল্পের মাধ্যমে সংযুক্ত আছে পশ্চিমবঙ্গের ২,৬০০টির বেশি গ্রাম পঞ্চায়েত।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


