Bratya Basu Update: মমতার ‘লোটাকম্বল’ বার্তার মাঝেই নতুন গুঞ্জন! ঋতব্রতর দিকে ঝুঁকছেন ব্রাত্য?

একের পর এক নেতা, সাংসদ ও জনপ্রতিনিধির দলত্যাগের মধ্যেই এবার নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে দলের অন্যতম পরিচিত মুখ ব্রাত্য বসুকে ঘিরে। গুঞ্জন, দীর্ঘদিন দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকা ব্রাত্য বসুও নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরে যোগ দিতে পারেন।

Published on: Jul 17, 2026, 12:13:32 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Bratya Basu Update: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙনের জল্পনা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। একের পর এক নেতা, সাংসদ ও জনপ্রতিনিধির দলত্যাগের মধ্যেই এবার নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে দলের অন্যতম পরিচিত মুখ ব্রাত্য বসুকে ঘিরে। গুঞ্জন, দীর্ঘদিন দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকা ব্রাত্য বসুও নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরে যোগ দিতে পারেন। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ব্রাত্য বসুর পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।

দীর্ঘদিন দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকা ব্রাত্য বসুও নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরে যোগ দিতে পারেন।
দীর্ঘদিন দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকা ব্রাত্য বসুও নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরে যোগ দিতে পারেন।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই ব্রাত্য বসুকে প্রকাশ্যে খুব একটা দেখা যায়নি। কালীঘাটের তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলিতেও তিনি অনুপস্থিত ছিলেন বলেই খবর। সেই কারণেই তাঁর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে।

এর আগে জুন মাসের শুরুতেই তৃণমূলে বড় ধাক্কা লাগে। পরপর রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক। একই সময়ে কোয়েল মল্লিকও ই-মেলের মাধ্যমে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছিলেন বলে খবর প্রকাশ্যে আসে। তবে সেই ইস্তফা তৎক্ষণাৎ গ্রহণ করেননি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণন। তিনি কোয়েলকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

বৃহস্পতিবার কোয়েল মল্লিক সংসদ ভবনে গিয়ে চেয়ারম্যানের হাতে নিজের ইস্তফাপত্র তুলে দেন। মাত্র দুই মাস দশ দিনের মাথায় রাজ্যসভার সদস্যপদ ছেড়ে দেওয়ার পরই তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপির শীর্ষ সাংগঠনিক নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়।

এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফেসবুক লাইভে দলের উদ্দেশে কড়া বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'যাদের বিজেপির চাপ, পুলিশ, ইডি, সিবিআই, সিআইডি, আইসি, ওসি, এসটিএফ বা মামলার চাপে চলে যাওয়ার ইচ্ছে আছে, তারা ২১ জুলাইয়ের আগেই লোটাকম্বল নিয়ে চলে যান। দয়া করে আমরা যে দল তৈরি করেছি, তাকে কলুষিত করবেন না। কেউ দল ছাড়লে তাতে আমরা দুর্বল হব না।'

মমতার এই মন্তব্যের পরই ব্রাত্য বসুকে ঘিরে নতুন জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, শুধু ব্রাত্য বসুই নন, রাজারহাটের প্রাক্তন বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায় এবং জঙ্গলমহলের মানবাজারের প্রভাবশালী আদিবাসী নেত্রী সন্ধ্যারানি টুডুও নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিতে পারেন। যদিও এই সম্ভাব্য দলবদল নিয়েও এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।

এদিকে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও দাবি করেছেন, আগামী দিনে ‘কালীঘাট তৃণমূল’-এ আরও বড় ভাঙন দেখা যাবে। তাঁর বক্তব্য, একের পর এক নেতা বর্তমান নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে বিকল্প রাজনৈতিক পথ খুঁজছেন। তবে এই মুহূর্তে ব্রাত্য বসুর দলবদলের বিষয়টি সম্পূর্ণ জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে। তিনি নিজে এ বিষয়ে মুখ না খোলা পর্যন্ত রাজনৈতিক মহলের কৌতূহল আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর, আগামী কয়েক দিনে সত্যিই কি আরও কোনও হেভিওয়েট নেতা তৃণমূল ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দেন, নাকি সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মমতার শিবিরেই থেকে যান।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More