...
...
Next Story

Adhir on India-Bangladesh border: 'ভারতে ব্রেকফাস্ট, বাংলাদেশে লাঞ্চ, রাতে কলকাতায় ডিনার', বিস্ফোরক দাবি অধীরের

Adhir on India-Bangladesh border: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরকারের পাশে দাঁড়ালেন বহরমপুরের প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী। কী বললেন তিনি?

Published on: May 28, 2026, 20:59:41 IST
Advertisement

Adhir on India-Bangladesh border: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত ইস্যুতে শুভেন্দু অধিকারী সরকারের পাশে দাঁড়ালেন অধীর চৌধুরী। তিনি দাবি করেছেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের একাংশে কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় এমনই অবস্থা যে কেউ চাইলে ভারতে প্রাতঃরাশ করতে পারেন। তারপর বাংলাদেশে গিয়ে সেরে নিতে পারেন মধ্যাহ্নভোজ। আবার রাতে কলকাতায় এসে নৈশভোজ সম্পন্ন করতে পারেন বলে দাবি করেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ। তাঁর কথায়, ‘আমি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে একটা প্রতিবেদন লিখেছিলাম। সেখানে লিখেছিলাম, কেউ যদি মনে করে সকালে ইন্ডিয়ায় ব্রেকফাস্ট করবে, দুপুরে বাংলাদেশে লাঞ্চ করতে পারে, রাতে আবার ডিনার করতে কলকাতায় চলে আসতে পারে। আমি এটা নিজেই বলেছিলাম।’

মমতা সরকার সহযোগিতা করত না, বিস্ফোরক অধীর

হাকিমপুর সীমান্তে এক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। (ছবি সৌজন্যে এএফপি)
হাকিমপুর সীমান্তে এক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। (ছবি সৌজন্যে এএফপি)

সেই রেশ ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকেও আক্রমণ শানিয়েছেন অধীর। তিনি বলেছেন, ‘আমরা চাই তো ফেন্সিং হয়ে যাক। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দাবি আছে। আমি নিজে পিএসসি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলাম। আমি নিজে স্বরাষ্ট্র বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলাম। দীর্ঘদিন ধরে আমরা এটা বলে আসছি রাজ্যকে।’ সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘সুরক্ষার জন্য (সীমান্তে বেড়া) দিতেই পারে। এখানে রাজ্যকে সহযোগিতা করতে হবে। আমাদের পশ্চিমবঙ্গে সেই সহযোগিতা ছিল না। এটা দুর্ভাগ্যের।’

আরও পড়ুন: Baduria TMC Leader Latest Update: বাড়িপিছু ৪০০০০ টাকা ‘জলখাবার’, কীভাব দুর্নীতির 'শিল্পী' হন বাদুড়িয়ার TMC নেতা?

ক্ষমতা এসেই BSF-কে ১৪২.৭৯ একর জমি দিল শুভেন্দু সরকার

আর অধীর সেই মন্তব্য করেছেন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে শুভেন্দু সরকারের কড়া পদক্ষেপের পরে। মমতার আমলে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জমিপ্রদান নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সংঘাত তৈরি হয়েছিল। শুভেন্দু সরকার ক্ষমতা আসতেই সেই জট কেটে গিয়েছে। বিএসএফের হাতে ধাপে-ধাপে জমি হস্তান্তরের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। ইতিমধ্যে ১৪২.৭৯ একর জমি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

১) কোচবিহার: ২২.৯৫ একর।

২) জলপাইগুড়ি: ৩৫.১৬৫ একর।

৩) দার্জিলিং: ৮.৮১৫ একর।

৪) উত্তর দিনাজপুর: ২.৮৪ একর।

৫) দক্ষিণ দিনাজপুর: ২০.১৭০১ একর।

৬) মালদা: ১০.৯ একর।

৭) মুর্শিদাবাদ: ৩৮.৮০৫ একর।

৮) নদিয়া: ০.৫৫ একর।

৯) উত্তর ২৪ পরগনা: ২.৬ একর।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe