Abhishek Banerjee s Office in Amtala: আমতলায় অভিষেকের বহুতলে বুলডোজার অ্যাকশন! উঠছে বহু অভিযোগ-রিপোর্ট
আমতলায় অভিষেকের বহুতল দফতরে বুলডোজার অ্যাকশন শুরু হয়েছে বলে খবর।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার বহুতল অফিস ঘিরে এদিন সকাল থেকেই অ্যাকশনে নেমেছে প্রশাসন। বহুতল ওই অফিসের বেআইনি অংশ ভেঙে ফেলা হচ্ছে বুলডোজার দিয়ে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার আমতলায় সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসের বেআইনি অংশ ভাঙার কাজ ঘিরে এলাকায় মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এদিকে, একাধিক রিপোর্টে, ওই বহুতল ঘিরে বেশ কিছু অভিযোগ উঠে আসছে। উঠে আসছে এক বেকারি কারখানা ঘিরে তথ্য।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১৪ সালে প্রথমবার ডায়মন্ডহারবারের তৃণমূল সাংসদ নির্বাচিত হন। নিউজ ১৮র রিপোর্ট বলছে, সেই সময় ওই এলাকায় একটি বেকারির কারখানা ছিল। এমনই দাবি স্থানীয়দের। সেই বেকারির কারখানায় হঠাৎই একদিন রহস্যজনকভাবে আগুন লাগে, বলে ওই রিপোর্টে স্থানীয়দের উল্লেখ করে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। ওই রিপোর্ট বলছে, পরে পুড়ে যাওয়া কারখানার জায়গায় গড়ে ওঠে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অফিস। অভিষেকের আমতলার অফিস ঘিরে এমন অভিযোগ বিজেপিরও। বিজেপির তরফে অভিজিৎ দাস বলেন, এটা অবৈধ সাংসদের অবৈধ অফিস, অভিষেক ছাপ্পা ভোটে জেতা অবৈধ সাংসদ, মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার যে কেড়ে নিয়েছে এটা তাঁর অফিস।
শোনা যায়, ডায়মন্ড হারবারে যখনই অভিষেক যেতেন, এই আমতলার পার্টি অফিস ছুঁয়ে যেতেন। আমতলার সেই বহুতল অফিসই এদিন বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, রিপোর্ট অনুসারে স্থানীয় এক বাসিন্দার অভিযোগ, এই অফিস থেকে শাহজাহান, জাহাঙ্গিরদের তৈরি করা হত। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাসিন্দারা কোনও সমস্যার কথা অভিষেকের এই সাংসদ কার্যলয়ের ভিতরে ঢুকে জানাতে পারতেন না।
এদিকে, অভিযোগ, পাঁচতলা ওই ভবনটি অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে। সূত্রের দাবি, এই অভিযোগের ভিত্তিতে আগেই সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। নির্ধারিত শুনানিতে কেউ উপস্থিত না হওয়ায় প্রশাসন পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, আর শনিবার সকাল থেকে ভবনের অবৈধ অংশ ভাঙার কাজ চলে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


