Kolkata Metro Work at Dharmatala: ধর্মতলার বিধান মার্কেটে মেট্রোর কাজ শুরুর অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার হাইকোর্ট জানিয়েছে, মেট্রোর কাজের জন্য অস্থায়ীভাবে কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত বিধানচন্দ্র রায় মার্কেট বা বিধান মার্কেট স্থানান্তর করা যাবে। প্রাথমিকভাবে বুধবার থেকে দোকান স্থানান্তরের কথা বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে এক সপ্তাহের মধ্যেই কলকাতা মেট্রোর পার্পল লাইনের (জোকা থেকে এসপ্ল্যানেড লাইন) কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে হাইকোর্ট জানিয়েছে, মেট্রোর কাজ শেষ হওয়ার পরে পুরনো জায়গায় ফিরিয়ে আনতে হবে দোকানদারদের।
বিধান মার্কেট স্থানান্তরের জন্য কী কী শর্ত মানতে হবে?

পাশাপাশি বিধান মার্কেট স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্তও বেঁধে দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন, মেট্রোর পার্পল লাইনের দায়িত্বপ্রান্ত এজেন্সি রেল বিকাশ নিগম লিমিটেডকে (আরভিএনএল) লিখিতভাবে দোকানদারদের জানাতে হবে যে অস্থায়ীভাবে তাঁদের স্থানান্তর করা হচ্ছে। মেট্রোর কাজ শেষ হলেই তাঁদের পুরনো জায়গায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে। আর মেট্রোর কাজের সময় তাঁরা যেখানে দোকান দেবেন, সেখানে নিশ্চিত করতে হবে পর্যাপ্ত পরিষেবা ও নিরাপত্তা। জল, বিদ্যুৎ সংযোগ, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরেই তাঁদের সরানো যাবে বলে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন: Mid-Day Meal by ISKCON: তালিকায় নন্দীগ্রামও! কলকাতার পর এবার জেলাতেও মিড-ডে মিলের দায়িত্বে ইসকন
দীর্ঘদিন ধরেই বিধান মার্কেট সরানোর চেষ্টা করছে মেট্রো
আর হাইকোর্টের সেই নির্দেশের পরে মেট্রোর কাজের ক্ষেত্রে কোনও বাধা থাকল না। যে কাজটা শুরু করার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই অপেক্ষা করছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। পার্পল লাইনের এসপ্ল্যানেড স্টেশন নির্মাণের জন্য বিধান মার্কেট বা ময়দান মার্কেট এলাকায় কাজ করতে হবে মেট্রো কর্তৃপক্ষকে। সেজন্য অস্থায়ীভাবে একটি জায়গাও তৈরি করে দেওয়া হয়। কিন্তু দোকানদাররা স্থানান্তরে রাজি হননি প্রাথমিকভাবে।
বিধান মার্কেটের দোকানদাররা কী সওয়াল করেন?
{{/usCountry}}বিধান মার্কেটের দোকানদাররা কী সওয়াল করেন?
{{/usCountry}}তারইমধ্যে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিধান মার্কেটের দোকানদাররা। তাঁরা সওয়াল করেন, ১৯৫৪ সালে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের জমিতে তৈরি বিধান মার্কেট কলকাতার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পাইকারি বাজার। কিন্তু সেখান থেকে তাঁদের স্থানান্তর করার জন্য মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও লিখিত প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি।