Narendra Ramkrishna Mission College: অন্যের ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত করা যায় না, রামকৃষ্ণ মিশনে শিক্ষকের চাকরির অফার খারিজ
Narendra Ramkrishna Mission College: অন্যের ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত করা যায় না- নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে এক শিক্ষকের চাকরির অফার খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিল কলেজ।
Narendra Ramkrishna Mission College: নিজের ধর্ম পালন করার অধিকার আছে যে কোনও ব্যক্তির। কিন্তু সেই অধিকারকে অন্য কারও ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত হানার অনুমতি হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে না। নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে এক ব্যক্তির নিয়োগ বাতিলের সময় কলকাতা হাইকোর্ট এমন মন্তব্য করেছে। বিচারপতি দেবাংশু বসাকের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি এমন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করেছেন, সেখানে অন্য ধর্মাবলম্বী মানুষদের ভাবাবেগে আঘাত দেওয়ার মতো বিষয় ছিল।

আর হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সেই মন্তব্য করেছে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে রামকৃষ্ণ মিশন কলেজের দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে। ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে তমাল দাশগুপ্তকে চার সপ্তাহের মধ্যে ইংরেজির সহকারী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ করতে হবে।
‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থেই নেওয়া হয়েছিল সেই সিদ্ধান্ত’
সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিঙ্গল বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিয়ে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে যে কলেজ কর্তৃপক্ষ যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটার সঙ্গে তমালের বাকস্বাধীনতা কিংবা নিজ ধর্ম পালনের মৌলিক অধিকারের কোনও সম্পর্ক নেই। সংশ্লিষ্ট পদে নিয়োগের জন্য তমাল উপযুক্ত নন বলে কলেজের গভর্নিং বডি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তা তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের উপর ভিত্তি করে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থেই নেওয়া হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্তকে অসংগত বলে গণ্য করা যায় না।
কমিশনের আইনের আওতায় অধিকার আছে, মত ডিভিশন বেঞ্চের
হাইকোর্ট জানিয়েছে, ২০১২ সালের পশ্চিমবঙ্গ কলেজ সার্ভিস কমিশন আইন অনুযায়ী কমিশনের সুপারিশ করা কোনও প্রার্থীর নিয়োগ প্রত্যাখ্যান করার অধিকার রয়েছে কোনও কলেজের। তবে সেই যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সেটা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের 'সর্বোত্তম স্বার্থের অনুকূলে’ হতে হবে।
‘রামকৃষ্ণ মিশনের মৌলিক ধারণা, আদর্শ ও দর্শনের সম্পূর্ণ পরিপন্থী’
রামকৃষ্ণ মিশন কলেজের আইনীবী সওয়াল করেন, কমিশনের সুপারিশ পাওয়ার পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ দেখেছিল যে ধর্ম এবং সমাজ নিয়ে মাঝেমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন সব মন্তব্য করেছেন তমাল, যেগুলিকে রামকৃষ্ণ মিশনের মৌলিক ধারণা, আদর্শ ও দর্শনের সম্পূর্ণ পরিপন্থী হিসেবে গণ্য করা হয়। সেই পরিস্থিতিতে কমিশনের সুপারিশপত্র গ্রহণ করেনি কলেজের গভর্নিং বডি এবং সেই বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
যদিও তমালের আইনজীবী সওয়াল করেন যে তাঁর মক্কেলের শিক্ষকতা যোগ্যতা নিয়ে কোনওরকম সন্দেহ প্রকাশ করেনি কলেজ কর্তৃপক্ষ। বরং তিনি যে পোস্ট করেছিলেন, তা ব্যক্তিগত ছিল। সেটার সঙ্গে তমালের পড়ানোর ক্ষমতার কোনও যোগ নেই বলে সওয়াল করেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


