BJP vs TMC Before Abhishek Arrival: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় আসার আগেই ধুন্ধুমার বেঁধে গেল বিমানবন্দরে। তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির জেরে রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি তৈরি হয়। রীতিমতো মারপিট চলতে থাকে। তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে, 'বিজেপির এক সশস্ত্র দুষ্কৃতী সম্ভবত আমাদের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল। শুভেন্দু অধিকারীর তত্ত্বাবধানে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন অবনতি হয়েছে যে, অপরাধীরা এখন অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং কোনও শাস্তির ভয় ছাড়াই দুঃসাহসী হামলা চালানোর মতো ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছে। এটা যদি রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় রাজনৈতিক বিরোধীকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা না হয়, তাহলে কী?'
সুকান্ত কী বললেন?

যদিও সেই বিষয়টি নিয়ে পুলিশ বা বিজেপির তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তৃণমূলের অভিযোগ নিয়েও কোনও মন্তব্য করা হয়নি। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় শুধুমাত্র বলেন যে যাঁরা ঝামেলা পাকাচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ বাঁচবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সুকান্ত।
ডিম ও বিজেপি-তৃণমূল কর্মীদের ঝামেলা
এমনিতে শুক্রবার দিল্লিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করেন অভিষেক। তারপর রাতের দিকে তিনি কলকাতায় ফিরবেন বলে বিমানবন্দরে জড়ো হন কয়েকজন তৃণমূল কর্মী-সমর্থক। কয়েকজন বিজেপি কর্মী-সমর্থকও চলে আসেন। তাঁদের হাতে ছিল ডিম। তা নিয়ে ঝামেলার সূত্রপাত হয়। তারপর তা হাতাহাতিতে গড়ায়। মুহূর্তের মধ্যে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বিমানবন্দর চত্বর। তুমুল চিৎকার ও হইচই শুরু হয়ে যায়।
বিদ্রোহীদের সাংসদপদ খারিজের দাবি অভিষেকের
{{/usCountry}}বিদ্রোহীদের সাংসদপদ খারিজের দাবি অভিষেকের
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের বহিষ্কারের দাবি নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে দেখা করার পরে অভিষেক বলেন, ‘আমাদের কেস খুব স্পষ্টভাবে রেখেছি। সংবিধানে যে ধারাগুলি রয়েছে বিশেষ করে দশম শিডিউলে, পয়েন্ট নম্বর ২এ এবং ৪; সেখানে স্পষ্ট লেখা রয়েছে আমি যদি অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে যাই বা প্রতিনিধি হিসেবে কোনও দলের আমি সদস্যপদ ছেড়ে দিই তাহলে আমার ডিসকোয়ালিফিকেশন হতে বাধ্য। আমি যদি তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-এ চলে যাই, যেটা তাঁরা দাবি করছেন। তার মানে তাঁরা আর তৃণমূলের সদস্য নয়। অর্থাৎ তৃণমূলের সদস্যপদ যদি চলে যায় তাহলে এমনিই ডিসকোয়ালিফিকেশন হবে।’