Mamata'a assault allegation: 'গায়ে হাত দিয়েছে, মেরেছে', বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার, ‘চোর মমতা দূর হটো’ স্লোগান উঠল
Mamata'a assault allegation: ভবানীপুর বিধানসভা নির্বাচনের গণনাকেন্দ্র ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছেন, ১০০-র বেশি আসনে ভোট লুট করেছে বিজেপি। আর কী কী অভিযোগ করলেন?
গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে, ধাক্কা মেরেছে - এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার ভবানীপুর বিধানসভার গণনাকেন্দ্র শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো বলেন, ‘বিজেপি ১০০টিরও বেশি আসন লুট করেছে। নির্বাচন কমিশন বিজেপির কমিশন। আমি কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক এবং মনোজ আগরওয়ালের (পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক) কাছেও অভিযোগ করেছি। কিন্তু তাঁরা কিছুই করছেন না। আপনারা কি মনে করেন এটা জয়? এটা একটা অনৈতিক বিজয়, নৈতিক বিজয় নয়। নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিলে যা কিছু করেছে, তা সম্পূর্ণ বেআইনি। এটা শুধু লুট, লুট আর লুট। আমরা ঘুরে দাঁড়াব।’

‘বিকেল ৩ টে থেকে আমাদের মারছে', দাবি মমতার
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিকাল তিনটে থেকে ওরা আমাদের মারছে। আমি মার খেয়েছি। সিসিটিভি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আমাদের কোনও এজেন্টকেই (গণনা কেন্দ্রের) ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ডিইও (জেলা নির্বাচনী আধিকারিক) আমায় আশ্বাস দিয়েছিলেন যে আমাদের এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হবে। কিন্তু এরপর থেকে তাঁকে আর কোথাও পাওয়া যায়নি। আমি সব জায়গায় অভিযোগ করেছি।’
‘চোর-চোর’ ও ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান উঠল
আর মমতা যখন সেই কথাগুলো বলছিলেন, তখন আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকা বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা ‘চোর-চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন। কেউ-কেউ বলতে থাকেন, ‘চোর মমতা দূর হটো।’ একইভাবে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানও দেওয়া হতে থাকে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার কী অবস্থা?
আর সেইসব ঘটনা যখন ঘটছে, তখন বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিজেপি আপাতত ২০৮টি আসনে এগিয়ে আছে। তার মধ্যে ১৩৭টিতে ইতিমধ্যে জিতে গিয়েছে। ৭১টিতে লিড করছে। আবার তৃণমূল এগিয়ে আছে বা জিতছে ৭৯টি আসনে। এগিয়ে থাকা আসনের সংখ্যা ৩০। আর জিতে গিয়েছে ৪৯টি আসনে। অন্যদিকে কংগ্রেস এবং হুমায়ুন কবীরের দল দুটি করে আসন জিতেছে। একটি করে আসনে জিতেছে সিপিআইএম এবং আইএসএফ।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


