College Union Room: সুরেন্দ্রনাথ-বারাসতে কন্ডোম কাণ্ডের জের, ইউনিয়ন রুম খুলে ভিডিওগ্রাফির নির্দেশ
সম্প্রতি কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে ইউনিয়ন রুমে বিলাসবহুল বেডরুমের সন্ধান এবং বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজের ছাদে কন্ডোম ও মদের বোতল উদ্ধারের ঘটনায় বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই আবহে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কলেজে নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ রয়েছে। এরই মধ্যে একাধিক কলেজে অনিয়ম ও অশোভন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ সামনে এসেছে। কোথাও ইউনিয়ন রুমে বিলাসবহুল শোবার ঘরের মতো ব্যবস্থা, আবার কোথাও কলেজ চত্বরে কন্ডোম ও মদের বোতল উদ্ধার হয়েছে। এসব ঘটনায় শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দফতর নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। নির্দেশ অনুযায়ী, সব সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজের বন্ধ থাকা ইউনিয়ন রুম খুলতে হবে। তবে এই কাজ করতে হবে অধ্যক্ষ বা টিচার-ইন-চার্জের উপস্থিতিতে। তাঁদের সঙ্গে আরও চারজন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপস্থিত থাকবেন।

পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করতে হবে এবং ইউনিয়ন রুমে কী কী পাওয়া গেল, তার বিস্তারিত রিপোর্ট সাত দিনের মধ্যে বিকাশ ভবনে পাঠাতে হবে। নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, যদি কোনও আপত্তিকর বা বেআইনি জিনিস পাওয়া যায়, তাহলে তা সঙ্গে সঙ্গে কলেজের গর্ভনিং বডি এবং ডিপিআই (ডিরেক্টর অব পাবলিক ইনস্ট্রাকশন)-কে জানাতে হবে। এছাড়া ইউনিয়ন রুমের চাবি আপাতত অধ্যক্ষ বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের কাছেই থাকবে। উল্লেখ্য, ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়ায় গত বছর কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে রাজ্যের সব কলেজের ইউনিয়ন রুমে তালা লাগানো হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, তাতেও কিছু ছাত্রনেতার দাদাগিরি বা প্রভাব খাটানো বন্ধ হয়নি।
সম্প্রতি কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে ইউনিয়ন রুমে বিলাসবহুল বেডরুমের সন্ধান এবং বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজের ছাদে কন্ডোম ও মদের বোতল উদ্ধারের ঘটনায় বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই আবহে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বর্তমানে কলেজে ভর্তির মরশুম চলছে এবং নতুন ছাত্রছাত্রীরা ক্যাম্পাসে আসছেন। তাই কলেজে নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
জগন্নাথ বলেন, গত কয়েক বছরে কলেজে নানা ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ছাত্র সংসদ নির্বাচন দীর্ঘদিন না হওয়ায় কিছু ভুয়ো ছাত্রনেতা কলেজে দাদাগিরি চালিয়ে যাচ্ছে। এসবের বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেছেন, এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য কাউকে লক্ষ্য করা নয়, বরং ইউনিয়নের অর্থ কোথায় ব্যয় হয়েছে তার হিসাব খতিয়ে দেখা এবং কলেজ ক্যাম্পাসকে সুশৃঙ্খল ও শিক্ষার উপযোগী পরিবেশে ফিরিয়ে আনা। পাশাপাশি, আদালতের নির্দেশ মেনেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


