Adhir to Rebel Congress MPs: ‘ঘুরিয়ে নাক না দেখিয়ে বিজেপিতেই যান’, তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের কটাক্ষ অধীরের

অধীরের বক্তব্য, দীর্ঘদিন বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনীতি করার পর এখন যদি তাঁরা মনে করেন বিজেপির সঙ্গেই থাকা ভালো, তাহলে তা প্রকাশ্যেই করা উচিত। আলাদা গোষ্ঠী তৈরির মাধ্যমে বিষয়টিকে ঘুরিয়ে দেখানোর কোনও প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Published on: Jun 9, 2026, 10:25:42 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

দিল্লিতে তৃণমূল কংগ্রেসের একদল বিদ্রোহী সাংসদের পৃথক ‘তৃণমূল ব্লক’ গঠনের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়ে আলাদা গোষ্ঠীর স্বীকৃতি চাওয়ার ঘটনাকে তীব্র কটাক্ষ করলেন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর দাবি, দলত্যাগ বিরোধী আইনের হাত থেকে বাঁচতেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে।

অধীরের বক্তব্য, দীর্ঘদিন বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনীতি করার পর এখন যদি তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা মনে করেন বিজেপির সঙ্গেই থাকা ভালো, তাহলে তা প্রকাশ্যেই করা উচিত। (PTI)
অধীরের বক্তব্য, দীর্ঘদিন বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনীতি করার পর এখন যদি তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা মনে করেন বিজেপির সঙ্গেই থাকা ভালো, তাহলে তা প্রকাশ্যেই করা উচিত। (PTI)

সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অধীর রঞ্জন বলেন, রাজনৈতিক কারসাজির আশ্রয় না নিয়ে বিদ্রোহী সাংসদদের সরাসরি বিজেপি বা এনডিএ শিবিরে যোগ দেওয়া উচিত ছিল। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনীতি করার পর এখন যদি তাঁরা মনে করেন বিজেপির সঙ্গেই থাকা ভালো, তাহলে তা প্রকাশ্যেই করা উচিত। আলাদা গোষ্ঠী তৈরির মাধ্যমে বিষয়টিকে ঘুরিয়ে দেখানোর কোনও প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কংগ্রেস নেতার অভিযোগ, দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতা এড়াতেই এই নতুন কৌশল নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, যদি সত্যিই রাজনৈতিক অবস্থান বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সংসদের ভেতরে পৃথক ব্লক তৈরির পরিবর্তে সরাসরি নতুন রাজনৈতিক মিত্রদের সঙ্গে যুক্ত হওয়াই বেশি স্বচ্ছ ও সৎ পদক্ষেপ হত।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, লোকসভায় পৃথক গোষ্ঠী গঠনের এই উদ্যোগ তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংকটকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই দলের অন্দরে অসন্তোষ, নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন এবং সাংগঠনিক অস্থিরতার একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। সেই আবহে সাংসদদের এই পদক্ষেপ নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত বিদ্রোহী সাংসদদের এই উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি। তবে দলের নেতারা বারবার দাবি করেছেন, তৃণমূলের মূল সংগঠন ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং বিচ্ছিন্ন কিছু পদক্ষেপে দলের শক্তি কমবে না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদের ভেতরে এই নতুন সমীকরণ আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। একইসঙ্গে বিরোধী শিবিরের বিভিন্ন দলের মধ্যেও সম্পর্কের নতুন টানাপোড়েন সামনে আসার ইঙ্গিত মিলছে। অধীর রঞ্জন চৌধুরীর মন্তব্য সেই রাজনৈতিক চাপানউতোরকেই আরও উস্কে দিল বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More