DCP Shantanu Sinha: কালীঘাটের ওসি থেকে DCP, সেই শান্তনু সিংহকে গ্রেফতার করল ED, তিনি কীভাবে জড়িত সোনা পাপ্পু মামলায়?

DCP Shantanu Sinha Arrested: শান্তনু অতীতে কালীঘাট থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি হিসেবে কাজ করেছেন এবং পরবর্তীকালে ডিসি পদে উন্নীত হন। সোনা পাপ্পু সংক্রান্ত মামলা ছাড়াও বালি পাচার, এনআরআই কোটায় ছেলেক ভর্তি করানোর মামলায় অভিযোগ রয়েছে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসির বিরুদ্ধে।

Published on: May 15, 2026 8:22 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

DCP Shantanu Sinha Arrested: সোনা পাপ্পু সংক্রান্ত বেআইনি জমি দখল এবং সিন্ডিকেটকে মদত দেওয়ার একটি আর্থিক দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার করা হল কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার পদে থাকা শান্তনু সিংহ বিশ্বাসকে। দীর্ঘ ১০ ঘণ্টা জেরা করার পরে গতরাতে তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। এর আগে তিনি ইডির একাধিক তলব এড়িয়ে যাওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস করা হয়েছিল। এই আবহে ১৪ মে শেষ পর্যন্ত ইডির অফিসে হাজির হন তিনি। আর রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এই শান্তনু অতীতে কালীঘাট থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি হিসেবে কাজ করেছেন এবং পরবর্তীকালে ডিসি পদে উন্নীত হন। সোনা পাপ্পু সংক্রান্ত মামলা ছাড়াও বালি পাচার, এনআরআই কোটায় ছেলেক ভর্তি করানোর মামলায় অভিযোগ রয়েছে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসির বিরুদ্ধে।

সোনা পাপ্পু সংক্রান্ত বেআইনি জমি দখল এবং সিন্ডিকেটকে মদত দেওয়ার একটি আর্থিক দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার করা হল কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার পদে থাকা শান্তনু সিংহ বিশ্বাসকে।
সোনা পাপ্পু সংক্রান্ত বেআইনি জমি দখল এবং সিন্ডিকেটকে মদত দেওয়ার একটি আর্থিক দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার করা হল কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার পদে থাকা শান্তনু সিংহ বিশ্বাসকে।

উল্লেখ্য, ১৯ এপ্রিল শান্তনুর বালিগঞ্জ ফার্ন রোডের বাড়িতে হাজির হন ইডির অফিসাররা। ইডির আধিকারিকরা জানান, বালিগঞ্জে সোনা পাপ্পুর মামলা সংক্রান্ত আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনের আওতায় সেই অভিযান চালানো হয়। এছাড়া তাঁর ভাড়া দেওয়া বাড়িতে হানা দেয় ইডি। প্রায় ২০ ঘণ্টা তল্লাশি চলে। পরে শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের পুত্রকে নিয়ে ইডির টিম পার্ক স্ট্রিটের অকল্যান্ড রোডে যায়। সেখানে শান্তনু পুত্রের একটি কোচিং সেন্টার রয়েছে। শান্তনুর ছেলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও বেআইনি লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

কীভাবে সোনা পাপ্পু মামলায় জড়িত ডিসিপি শান্তনু সিংহ?

অভিযোগ, সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ব্যবসায়ী জয় কামদারের সঙ্গে মিলে নাকি প্রভাব খাটিয়ে তোলাবাজি করতেন শান্তনু। এর আগে জয় কামদারকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। জয় কামদার মূলত প্রোমোটিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অতীতেও তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই সময় তার বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধার হয়েছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, জয়ের বাড়ি থেকে মোট ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছিলেন কেন্দ্রীয় অফিসাররা।

সোনা পাপ্পুর সঙ্গে জয় কামদারের যোগসূত্র কোথায়?

কসবার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ইডি আধিকারিকেরা আর্থিক লেনদেনের বেশ কিছু সূত্র পান। সেই তদন্তের সূত্র ধরেই সামনে আসে জয়ের নাম। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সোনা পাপ্পু কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ব্যবসায়ী জয় কামদারকে বার দুয়েক তলব করা হয়েছিল। কিন্তু ইডির হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিল সে। এরপরেই ইডির একটি দল বেহালায় তার বাড়িতে হানা দেয় এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পরই তাকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয় তদন্তকারীরা।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More