Digital Kolkata Changes Update: ডিজিটাল কলকাতার পথে বড় পদক্ষেপ, শহরের ভোল পাল্টে দেবে সরকার, কী কী হবে?
মন্ত্রী জানান, বিশ্বের উন্নত শহরগুলির ধাঁচে কলকাতাকেও ডিজিটাল রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা— পার্ক স্ট্রিট, ক্যামাক স্ট্রিট এবং থিয়েটার রোডকে বেছে নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই দুটি জায়গায় ডিজিটাল হোর্ডিং বসানোর কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিজেপি সরকার কলকাতাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর শহর হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা শুরু করেছে। সেই লক্ষ্যেই এবার শহরে বসতে চলেছে বড় বড় ডিজিটাল হোর্ডিং এবং তৈরি হবে অত্যাধুনিক ডিজিটাল বাসস্ট্যান্ড। সম্প্রতি এক সাংবাদিক বৈঠকে এমনই ঘোষণা করেছেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। মন্ত্রী জানান, বিশ্বের উন্নত শহরগুলির ধাঁচে কলকাতাকেও ডিজিটাল রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা— পার্ক স্ট্রিট, ক্যামাক স্ট্রিট এবং থিয়েটার রোডকে বেছে নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই দুটি জায়গায় ডিজিটাল হোর্ডিং বসানোর কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।

শুধু বিজ্ঞাপন নয়, এই হোর্ডিংগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি তথ্য, জনসচেতনতামূলক বার্তা এবং বিভিন্ন বড় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সরাসরি সম্প্রচারও দেখানো হবে। মন্ত্রী জানিয়েছেন, ফুটবল বিশ্বকাপের ম্যাচও এই ডিজিটাল স্ক্রিনে দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে সরকারের সবচেয়ে বড় পরিকল্পনা ডিজিটাল বাসস্ট্যান্ড ঘিরে। অগ্নিমিত্রা পালের দাবি, ভবিষ্যতের কলকাতার গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও যাত্রীবান্ধব করে তুলতেই এই উদ্যোগ। নতুন বাসস্ট্যান্ডগুলি সম্পূর্ণভাবে সৌরশক্তি নির্ভর হবে। ফলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচের প্রয়োজন হবে না।
এই স্মার্ট বাসস্ট্যান্ডগুলিতে একাধিক আধুনিক সুবিধা থাকবে। যাত্রীরা মোবাইল ফোন চার্জ করার জন্য চার্জিং পয়েন্ট পাবেন। পাশাপাশি একটি ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডে বিভিন্ন বাসের সময়সূচি এবং বাস কখন আসবে, সেই তথ্যও দেখা যাবে। এর ফলে যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ অনিশ্চয়তার মধ্যে অপেক্ষা করতে হবে না। এছাড়াও মহিলা ও শিশুদের কথা মাথায় রেখে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। যেসব মা ছোট শিশুদের নিয়ে যাতায়াত করেন, তাঁদের সুবিধার জন্য ডায়পার পরিবর্তনের আলাদা জায়গা থাকবে। শহুরে পরিকাঠামোয় এই ধরনের ব্যবস্থা রাজ্যে প্রথম বলেই মনে করা হচ্ছে।
শুধু কলকাতাতেই নয়, ধাপে ধাপে রাজ্যের অন্যান্য শহরাঞ্চলেও একই ধরনের ডিজিটাল বাসস্ট্যান্ড তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। এর পাশাপাশি নাগরিক সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য সম্প্রতি একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বরও চালু করেছে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। জল জমা, ডেঙ্গি, রাস্তার সমস্যা বা বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগ সরাসরি ওই নম্বরে জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। সব মিলিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবা, উন্নত পরিকাঠামো এবং নাগরিক সুবিধা বাড়ানোর মাধ্যমে কলকাতাকে নতুন রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে এগোচ্ছে রাজ্যের নতুন সরকার। ডিজিটাল কলকাতার এই পরিকল্পনা কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই নজর শহরবাসীর।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


