Durga Puja Pass Scam Latest Update: পুজো পাসের দুর্নীতি মামলার তদন্তের মধ্যেই সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সেই মামলার তদন্তের জন্য বুধবার প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পরে কেন্দ্রীয় এজেন্সির তরফে জানানো হয়েছে, ‘অক্টেভ রেকর্ডস’-র (ইন্দ্রনীলের মালিকাধীন সংস্থা) অ্যাকাউন্ট থেকে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতার অ্যাকাউন্টে প্রায় ৩০ লাখ টাকা ঢুকেছে। ইন্দ্রনীল দাবি করেছেন যে রয়্যালটি ফি বাবদ সেই টাকা দেওয়া হয়েছিল তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীকে। তবে ঠিক কীসের রয়্যালটি, তা সে বিষয়ে প্রাক্তন মন্ত্রী কিছু বলেছেন কিনা, তা জানানো হয়নি ইডির বিবৃতিতে।
কোটি-কোটি টাকার দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে ইন্দ্রনীলের

আর যে মামলার তদন্তে ইডির তরফে সেই বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, তাতে বেকায়দায় পড়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল। অভিযোগ উঠেছে, দুর্গাপুজোর পাস বিক্রি এবং ইউনেস্কোর ওয়েবসাইটে একাধিক পুজো কমিটির নাম তুলে দেওয়ার ঘটনায় কোটি-কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। সেই মামলার তদন্তের জন্য মঙ্গলবার প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দাকে পড়তে হয় ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখে। তল্লাশি চালানো হয় তাঁদের বাড়িতে।
আরও পড়ুন: TET: 'দুর্গাপুজোর মতো...,' প্রাথমিক নিয়োগে কাটছে জট, টেট নিয়ে বড় ঘোষণার স্কুলশিক্ষামন্ত্রীর
'ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের টেন্ডার, সেখান থেকে মোটা অঙ্কের টাকা তোলা'
আবার বুধবার ইডি দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয় ইন্দ্রনীলকে। প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে চলে জিজ্ঞাসাবাদ। তারপর ইডির তরফে জানানো হয়েছে, ইন্দ্রনীল যখন মন্ত্রী ছিলেন, সেইসময় সরকারি প্রকল্পের একাধিক টেন্ডার পেয়েছিলেন তাঁরই ঘনিষ্ঠ ধ্রুবজ্যোতি বোস এবং দীপেশ রায়ের বিভিন্ন সংস্থা। যার মূল্য ৮৫ কোটি টাকারও বেশি। যে সংস্থাগুলি থেকে বড় অঙ্কের টাকা ঢুকেছিল ইন্দ্রনীলের আত্মীয়দের কোম্পানিতে। যে সংস্থাগুলি টেন্ডার পেয়েছিল, সেগুলির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে বড় অঙ্কের নগদ তোলারও ঘটনা সামনে এসেছে।
'নগদ ৩.৮ কোটি টাকা জমা ইন্দ্রনীলের মালিকাধীন সংস্থায়'
{{/usCountry}}'নগদ ৩.৮ কোটি টাকা জমা ইন্দ্রনীলের মালিকাধীন সংস্থায়'
{{/usCountry}}শুধু তাই নয়, ইডির তরফে দাবি করা হয়েছে যে ইন্দ্রনীল এবং তাঁর মালিকানাধীন সংস্থার অ্যাকাউন্টে নগদ ৩.৮ কোটি টাকা জমা দেওয়া হয়েছিল। আর সেই সংস্থার থেকেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ৩০ লাখ টাকার মতো পাঠানো হয়েছিল বলে কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে। ইডির তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যে দুর্গাপুজোর পাস দুর্নীতি মামলায় প্রচুর সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আরও তদন্ত চলছে।