Howrah E-Scooters Manufacturing Unit: হাওড়ায় ই-স্কুটার কারখানা হচ্ছে! প্রযুক্তি দেবে থাই সংস্থা, লগ্নি ২৫০ কোটি টাকা
Howrah E-Scooters Manufacturing Unit: হাওড়ায় ই-স্কুটার কারখানা হচ্ছে। কলকাতার একটি সংস্থা এবং থাইল্যান্ডের একটি কোম্পানি হাত মিলিয়ে সেই ই-স্কুটার তৈরি করবে। আপাতত যা ঠিক আছে, তাতে ধাপে-ধাপে ২৫০ কোটি টাকা লগ্নি করা হবে।
Howrah E-Scooters Manufacturing Unit: থাইল্যান্ডের কোম্পানির সঙ্গে হাত মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ই-স্কুটার কারখানা খুলতে চলেছে কলকাতার সংস্থা। সেজন্য ধাপে-ধাপে ২৫০ কোটি টাকার মতো বিনিয়োগ করা হবে বলে সূত্রের খবর। বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে সেই কারখানার ঘোষণার সময় অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, হাওড়ার সাঁকরাইলে সেই ই-স্কুটার কারখানা তৈরি করা হবে। যা পশ্চিমবঙ্গের শিল্পের জন্য একটা বড় মাইলস্টোন হতে চলেছে। আর সেটা মাথায় রেখে ওই দুটি সংস্থাকে সবরকমের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

থাইল্যান্ড ও কলকাতার সংস্থা কী কী কাজ করবে?
সূত্রের খবর, যে চুক্তি হয়েছে, তাতে থাইল্যান্ডের সংস্থা আসারা ইলেকট্রিকের তরফে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল প্রদান করা হবে। আর সাঁকরাইলে কারখানা তৈরি থেকে শুরু করে দক্ষ কর্মী-শ্রমিক নিয়োগ, বিক্রি, প্রচার, বাজারজাত করার মতো বিষয়ের দায়িত্ব থাকবে কলকাতার সংস্থা মিয়ারস্টোন ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেডের হাতে।
ই-স্কুটারের কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা সাঁকরাইলকে ঘিরে
সূত্রের খবর, সাঁকরাইলের প্রস্তাবিত কারখানায় নয়া প্রজন্মের ই-স্কুটার তৈরি করা হবে। সেখান থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ই-স্কুটার। পাশাপাশি ই-স্কুটারের পার্টসের জোগান দেওয়া, ডিলারশিপ, সার্ভিস সেন্টারের মতো পুরো একটা কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা আছে সাঁকরাইলের প্রস্তাবিত কারখানাকে ঘিরে। তার ফলে ওই প্রস্তাবিত ই-স্কুটার কারখানার হাত ধরে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে প্রচুর কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্ট মহল।
পরিবেশের দিকে তাকিয়ে বৈদ্যুতিক গাড়ির উপরে জোর রাজ্যের
আর সেই ই-স্কুটার কারখানা নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিং। এমনিতে গণপরিবহণের ক্ষেত্রে পরিবেশ-বান্ধব যানের উপরে জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সিএনজি-চালিত এবং ইলেকট্রিক বাস রাস্তায় নামাচ্ছে। সেই আবহে রাজ্যে যে ই-স্কুটারের কারখানা তৈরি করা হচ্ছে, তা নিয়ে পরিবহণ মন্ত্রী জানিয়েছেন যে পরিবেশের কথায় রেখে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বৈদ্যুতিক যানবাহনের উপরে জোর দিচ্ছে। সেই আবহে এই কারখানা তৈরির যে ঘোষণা করা হল, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


