Kunal on Mamata Slap Case: ‘মা হিসেবে সন্তানকে….’, মমতার চড় মারা নিয়ে সাফাই কুণালের, নিশানা বিজেপির
Kunal on Mamata Slap Case: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চড়-কাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন কুণাল ঘোষ। বুধবার কালীঘাটে ভিড় নিয়ন্ত্রণের সময় কয়েকজনকে চাঁটি ও থাপ্পড় মারেন মমতা। একজনের গালে সপাটে চড় কষিয়ে দেন। তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
Kunal on Mamata Slap Case: মেজাজ হারিয়ে এক কর্মীর গালে চড় মেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আরও কয়েকজন চাঁটি খেয়েছেন পিঠে। তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। মমতাকে নিশানা করেছে বিজেপি। আর সেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলে পালটা আক্রমণ শানালেন বেলেঘাটার বিধায়ক তথা কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কুণাল ঘোষ। তিনি দাবি করলেন, এক সন্তানের চিকিৎসার জন্য ‘মা’ যদি অপর এক সন্তানকে ধাক্কা মারেন, তাতে আপত্তির কিছু নেই। অভিভাবক হিসেবে মমতা সেই কাজটা করতেই পারেন বলে দাবি করেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক।

‘আপনাদের জেনে রাখা উচিত, তিনি মানবিক’
কুণালের কথায়, 'আপনাদের দু'একটি চ্যানেল একটু আগে এখানে দেখিয়েছে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের কোনও কর্মীকে ধাক্কা দিয়েছেন বা চড় মেরেছেন। আপনাদের জেনে রাখা উচিত, তিনি মানবিক। অভিভাবকের ভূমিকা পালন করছিলেন। সামনে ভিড় হয়ে গিয়েছিল। আপনাদের ভিড় ছিল। মিডিয়ার ভিড় ছিল। কর্মীদের ভিড় ছিল। আর ভিতরে একের পর এক গুরুতর জখম-আহত কর্মীরা পড়েছিলেন।'
'আপনাদের খবরের খোরাক হতে পারে কখনও?’
তিনি আরও বলেন, ‘গাড়ি এনে তাঁদের হাসপাতালে পাঠানোর চেষ্টা (করছিলেন মমতা)। সেজন্য সামনে থেকে দাঁড়িয়ে যদি কোনও মা তাঁর কোনও সন্তানকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে থাকে অন্য সন্তানের চিকিৎসার জন্য, সেটা আপনাদের খবরের খোরাক হতে পারে কখনও?’ সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিনি চাইছিলেন যে গাড়ির রাস্তাটা ফাঁকা করে দিয়ে গাড়িটা আসতে দিতে। (যাতে) পিছনে যাঁরা কাতরাচ্ছিলেন, তাঁদের তুলে দেবেন। তিনি যদি একজনকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে থাকেন, (তাহলে) বেশ করেছেন যে সরিয়েছেন।’
আবার ভিন্ন দাবি তৃণমূলের এক নেতার
যদিও সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক তৃণমূল নেতা আবার দাবি করেছেন যে মমতা কাউকে চড় মারেননি। তিনি স্রেফ ভিড় সামলানোর চেষ্টা করছিলেন। ওই নেতার কথায়, 'ওখানে প্রচুর মানুষ ছিলেন। উনি নেহাতই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছিলেন। কাউকে চড় মারেননি। যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন।'
'বালিশ-চাটনরা নয়, আসল ভয়….'
তারইমধ্যে তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে, বুধবার মিছিলে মিছিলের সময় কর্মী-সমর্থকদের উপরে হামলা চালিয়েছে বিজেপি। কুণাল বলেছেন, ‘একটা উপাসনা, একটা প্রিয়াঙ্কা, একটা দেবারতি, একটা নয়নিকা.. এরকম কয়েকটি মেয়েকে সামলাতে না পেরে দুর্যোধন, দুঃশাসনের মতো আচরণ করল কিছু আধদামড়া কাপুরুষ জানোয়ার। সঙ্গে পুলিশ ছিল বলে এত বীরত্ব। নিরস্ত্র ছেলেগুলোকে মারল।
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, 'উপাসনার বাঘের বাচ্চার মতো লড়াইকে সাধুবাদ জানাই। ওর বাইক ঘিরে অত অসভ্যতাও ওকে দমাতে পারেনি। তৃণমূলের ছাত্র-যুবরা আমাদের লড়াইকে গর্বিত করেছে। বালিশ-চাটনরা নয়, বিজেপির ভয় আসলে যে কোনও বিরোধী পক্ষকে, সেই মুখোশটা আজ আবার খুলে গিয়েছে। যে দামড়াগুলো উপাসনাকে ঘিরে ঘেউ-ঘেউ করছিল, সেগুলো আগে উপাসনার পা ধোয়া জল খাক। মনে রাখুক, এই শিবিরের গায়ে একটা স্ট্যাম্প আছে- ব্র্যান্ড মমতা।’
যদিও তৃণমূলের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। পালটা বিজেপির দাবি, রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক থাকতে পুরোটাই তৃণমূলের ‘খেলা’। নিজেদের নাটক সাজিয়েছে। কিন্তু স্ক্রিপ্ট খুব কাঁচা হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছে বিজেপি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


