EVM Tampering Allegation: শাসককে পালটা 'দাওয়াই'? তৃণমূল প্রার্থীর নামের পাশে বোতামে টেপ লাগানো, বন্ধ হয় ভোট
মন্তেশ্বর বিধানসভার মন্তেশ্বর গ্রামে বুথ নম্বর ৩৫-এ সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর নামের পাশে সুইচ সেলোটেপ দিয়ে আটকে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটারেরা যাতে তাঁদের প্রার্থীকে ভোট দিতে না-পারেন, সেই কারণে ইচ্ছাকৃত ভাবে এই কাজ করা হয়েছে।
EVM Tampering Allegation: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল ইভিএমে বিরোধীদের বোতামের ওপর টেপ লাদিয়ে দেওয়ার। আর এবার অভিযোগ উঠল, মন্তেশ্বরে নাকি তৃণমূল প্রার্থী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর নামের পাশে থাকা বোতামে সেলোটেপ সেঁটে দেওয়া হয়। এই আবহে দুপুর নাগাদ ভোট প্রক্রিয়া বন্ধ হয় সেখানকার বুথে। অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্তারা। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীও। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং ভোটগ্রহণ ফের চালু হয়।

রিপোর্ট অনুযায়ী, মন্তেশ্বর বিধানসভার মন্তেশ্বর গ্রামে বুথ নম্বর ৩৫-এ সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর নামের পাশে সুইচ সেলোটেপ দিয়ে আটকে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটারেরা যাতে তাঁদের প্রার্থীকে ভোট দিতে না-পারেন, সেই কারণে ইচ্ছাকৃত ভাবে এই কাজ করা হয়েছে। তবে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা জানা যায়নি। এর আগে ফলতায় বেশ কিছু বুথে তিন এবং চার নম্বর বোতামে টেপ লাগানো হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। উল্লেখ্য, ফলতায় তিন নম্বরে রয়েছে বিজেপি প্রার্থী আর চারে সিপিএম। এদিকে পানিহাটির ২০৯ নম্বর বুথে বিজেপির বোতামে কালি দেওয়া আছে বলে অভিযোগ ওঠে।
এদিকে মন্তেশ্বরে তৃণমূল কর্মীরা বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এই আবহে সেই তৃণমূল কর্মীদের আটক করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। মন্তেশ্বরের মামুদপুর ১ পঞ্চায়েতের পাড়াপুর এবং মামুদপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায় ধৃত দুই তৃণমূল নেতার নাম সাহাবুল মণ্ডল এবং আরজ শেখ। ঘটনায় চারটি টোটোও আটক করা হয়েছে। এই আবহে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদ সদস্য তথা তৃণমূল নেতা আজিজুল শেখ দাবি করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপির হয়ে কাজ করছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


