Firhad resigns from Kolkata mayor post: শুভেন্দুর বৈঠকে যোগ, ‘সম্মানরক্ষায়’ সায় মমতার, কোন পথে মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ?
Firhad resigns from Kolkata mayor post: কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম। কুণাল ঘোষ দাবি করেছেন, অকেজো করে রাখা হয়েছিল কলকাতা পুরনিগমকে। তাই সম্মানরক্ষায় ইস্তফা দিচ্ছেন। অনুমতি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
Firhad resigns from Kolkata mayor post: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে যোগ, তারপর তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবুজ সংকেত, আর শেষে কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম। তৃণমূল সূত্রে খবর, বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পরে কলকাতা পুরনিগমের মেয়রের পদ ছাড়তে চেয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। অনেকদিন আগেই সেই ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন। অবশেষে আজ তাঁর আর্জি মঞ্জুর করেছেন মমতা। ‘সম্মানরক্ষার’ জন্যই নাকি মমতা ফিরহাদের আবেদনে সাড়া দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। তৃণমূলের দাবি, পুরনিগমে এই মুহূর্তে কাজ করা যাচ্ছে না।

‘মমতার কাছে বারবার ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ ফিরহাদের’
বিষয়টি নিয়ে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক এবং মমতার শিবিরে থাকা কুণাল ঘোষ বলেছেন, ‘কলকাতার মহানাগরিক (কলকাতার মেয়র) ফিরহাদ হাকিম আমাদের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বারবার ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন। সর্বশেষ দিন আমিও ছিলাম। কথা হয়। তিনি বলেন যে এ তো অকেজো হয়ে আছে। কাজ করা যাচ্ছে না।’
আরও পড়ুন: Ritabrata on Mamata: ‘যদি না দিদি লাথি মেরে সরিয়ে দেন….’, 'আসল তৃণমূলে' মমতাকে 'পদ' দিচ্ছেন ঋতব্রতরা
'কলকাতা পুরনিগম অকেজো হয়ে পড়ে আছে'
সেই রেশ ধরে আজ নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর নেতৃত্বে যে প্রশাসনিক বৈঠক হয়েছে, সেখানে কী আলোচনা হয়েছে, তা নিয়েও মুখ খুলেছেন কুণাল। ওই বৈঠকে বেলেঘাটার বিধায়ক হিসেবে কুণাল এবং কলকাতা বন্দরের বিধায়ক হিসেবে হাজির ছিলেন ফিরহাদ। পরে কালীঘাটে মমতার বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে কুণাল বলেন, আজ নবান্নে যে প্রশাসনিক সভা হয়েছে, সেখানে যে আলোচনা হয়েছে, সেখানে বলা হচ্ছে যে কলকাতা পুরসভা অকেজো। কাজ করা যাচ্ছে না। ফলে কমিশনার বিধায়কদের পরামর্শ নিয়ে কাজ করবেন।'
‘সবদিক বিবেচনা করে ইস্তফার অনুমতি মমতার’, দাবি কুণালের
তিনি আরও বলেন, ‘অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম চাইছেন যে সসম্মানে ইস্তফা দেওয়ার ব্যাপার। সবকিছু বিবেচনা করে তিনি যখন আমাদের সুপ্রিম দলনেত্রীকে বলেছেন যে আমি সসম্মানে বেরিয়ে যেতে চাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারণও করেন। কিন্তু এটাও বলেন যে কলকাতা পুরনিগমকে অকেজো করে রেখেছে। তাহলে এখানে থেকে লাভ কী? তাই ফিরহাদ হাকিমের সম্মানরক্ষায়, যাতে তাঁর কোনও অমর্যাদা না হয়, আবার কলকাতা পুরনিমগকে যে অকেজো করে রাখা হয়েছে, সেইসব বিবেচনা করে ইস্তফার অনুমতি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


