Baruipur Case Accused Mother: 'ছেলেকে ফাঁসিতে ঝোলান বা কেটে ফেলুন', বললেন বারুইপুর-কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রভাসের মা
Baruipur Case Accused Mother: 'ছেলেকে ফাঁসিতে ঝোলান বা কেটে ফেলুন', বললেন বারুইপুর-কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের মা। তিনি জানিয়েছেন, ছেলে নেশাগ্রস্ত ছিল। মদ খাওয়ার পরে নিজের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলত।
Baruipur Case Accused Mother: বারুইপুর-কাণ্ডে ছেলের কঠোরতম শাস্তি চাইলেন ধৃত প্রভাস মণ্ডলের মা। ১১ বছরের নাবালিকার ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় যত রাজ্য উত্তাল হয়ে উঠেছে এবং অপরাধীদের ফাঁসির শাস্তির উঠছে, সেই আবহে অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাসের মা বলছেন, ‘ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিন বা কেটে ফেলুন। ওকে সেই শাস্তি দেওয়া হোক, যেটা ওর প্রাপ্য। ওর মা হিসেবে আমি এটা বলছি। আমি নিজেই ওকে পুলিশের হাতে তুলে দিতাম।’ সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, ছেলে মদের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকত। মদ খেয়ে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ার জন্য অতীতে গ্রেফতারও হয়েছিল। মায়ের কথায়, 'ও যখন মদ খেত, তখন ওর নিজের উপরে কোনওরকম নিয়ন্ত্রণ থাকত না।'

বারুইপুরে আসেন মুখ্যমন্ত্রী
তারইমধ্যে মঙ্গলবার বারুইপুরে আসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দেখা করেন নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে। তিনি আগেই জানিয়েছিলেন যে দোষীদের মৃত্যুদণ্ড যাতে হয়, তা নিশ্চিত করতে কোনও কসুর ছাড়বে না রাজ্য সরকার। মঙ্গলবারও সেই বিষয়টির উপরে জোর দিয়ে শুভেন্দু জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর একজনের খোঁজ চলছে। যেভাবে তদন্ত চলছে, তাতে তাঁর সরকারের উপরে নির্যাতিতার পরিবার আস্থা রেখেছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
গাফিলতি থাকলে পুলিশের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা, সাফ বার্তা শুভেন্দুর
সেইসঙ্গে প্রাথমিকভাবে পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে। সেই বিষয় নিয়েও পদক্ষেপ করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘আমি ডিজিপিকে (রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা) ৭২ ঘণ্টা দিয়েছি। আমি যা যা তথ্য় চেয়েছি, সেটার ভিত্তিতে প্রশাসনিক নিয়মকানুন মেনে উনি আমায় একটা রিপোর্ট দেবেন। রিপোর্ট দেওয়ার পরে প্রশাসনিক দিক থেকে আমাদের যে অ্যাকশন নেওয়ার, (সেটা আমরা নেব)। ওই সময়ের মধ্যে আমাদের লোকের যদি কোনও শিথিলতা থাকে, সেটা যদি এক পার্সেন্টও হয়, তাহলেও খুব কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
অশান্তি পাকানো, গণপিটুনিতে যুক্তদের বিরুদ্ধেও হবে ব্যবস্থা
পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রবিবার সকালে অভিযুক্ত সন্দেহে যে ব্যক্তিকে গণপিটুনিতে হত্যা করা হয়েছে, তিনি নির্দোষ বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাঁর পরিবারের সঙ্গেও দেখা করে বিচার প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, রবিবার সকালে বিক্ষোভের সময় যাঁরা অশান্তি পাকিয়েছেন, যাঁরা পুলিশের উপরে হামলা চালিয়েছেন, যাঁরা গণপিটুনিতে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাঁরা উস্কানি দিয়েছেন, তাঁদেরও রেয়াত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


