Sharadwat Mukherjee: কর্তব্যরত অবস্থায় প্রাইভেট প্র্যাকটিস নয়! ৯৬ ঘণ্টা ডিউটি নিয়ে চিকিৎসকদের অনুরোধ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

Health Minister Sharadwat Mukherjee: রবিবার এক অনুষ্ঠানে গিয়ে সরকারি চিকিৎসকদের ‘ডিউটি’ নিয়ে একাধিক বার্তা দিয়েছিলেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তা নিয়ে চিকিৎসকমহলের একাংশের মনে নানা প্রশ্ন জেগেছিল, বিভ্রান্তিও দেখা দিয়েছিল। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতে সেই বিভ্রান্তি দূর করলেন মন্ত্রী।

Published on: Jul 13, 2026, 19:13:10 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Health Minister Sharadwat Mukherjee: রাজ্যের সরকারি চিকিৎসকদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসকদের কর্মস্থলে ডিউটি আওয়ার্স নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। যা ক্রমেই বাড়ছে। বিতর্ক থামাতে এবার আসরে স্বয়ং রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক বা শিক্ষক-চিকিৎসকদের সপ্তাহে ৯৬ ঘণ্টা কাজ করতে (ডিউটি) হবে, এমন কোনও সরকারি নির্দেশিকা দেওয়া হয়নি।

৯৬ ঘণ্টা ডিউটি নিয়ে চিকিৎসকদের অনুরোধ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর (সৌজন্যে টুইটার)
৯৬ ঘণ্টা ডিউটি নিয়ে চিকিৎসকদের অনুরোধ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর (সৌজন্যে টুইটার)

নিজের বার্তায় কী লিখেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী?

রবিবার এক অনুষ্ঠানে গিয়ে সরকারি চিকিৎসকদের ‘ডিউটি’ নিয়ে একাধিক বার্তা দিয়েছিলেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। সপ্তাহে অন্তত ৯৬ ঘণ্টা কাজের কথা বলেছিলেন। তা নিয়ে চিকিৎসকমহলের একাংশের মনে নানা প্রশ্ন জেগেছিল, বিভ্রান্তিও দেখা দিয়েছিল। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতে সেই বিভ্রান্তি দূর করলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, 'পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকা ছাড়া অন্যান্য জেলা বা অঞ্চলের সরকারি হাসপাতালে কর্মরত সকল চিকিৎসকের কাছে একটি অনুরোধ জানিয়েছে। এই অনুরোধ অনুযায়ী, তাঁদের সপ্তাহে ৯৬ ঘণ্টা নিজ কর্মস্থলে (স্টেশনে) উপস্থিত থাকার চেষ্টা করতে বলা হয়েছে (এর অর্থ '৯৬ ঘণ্টা একটানা ডিউটি ​​করা' নয়) এবং 'ডিউটি ​​চলাকালীন ব্যক্তিগত প্র্যাকটিস না করার' কথা বলা হয়েছে। এটি এখনও কেবলই একটি অনুরোধ, কোনও আনুষ্ঠানিক আদেশ নয়। এ বিষয়ে সরকারি কোনো আদেশনামা জারি করা হয়নি।' শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরামর্শ, 'বিস্তারিত জানতে যে কোনও সহকর্মী আমাকে ফোন করতে পারেন।'

অনেক চিকিৎসকের স্থায়ী বাসস্থান যেখানে, সেই শহর বা জেলার হাসপাতালে ডিউটি পড়ে না। অনেক সময় দেখা যায়, কলকাতার বাসিন্দাকে কর্মসূত্রে যেতে হয় উত্তরবঙ্গের কোনও সরকারি হাসপাতালে। অভিযোগ, এমন অনেক চিকিৎসকই তাঁদের কাজের জায়গায় দুই বা তিন দিন কাটিয়ে চলে যান বাড়িতে বা নিজের শহরে। কেউ কেউ আবার নির্দিষ্ট ‘ডিউটি’র সময়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করেন বলেও অভিযোগ। অনেকের মতে, সেই সব অভিযোগের কথা মাথায় রেখেই সপ্তাহে অন্তত ৯৬ ঘণ্টা ‘ডিউটি’র কথা বলেছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। রবিবার অস্থি চিকিৎসকদের একটি সংগঠনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। সেখানেই তিনি সরকারি চিকিৎসকদের ডিউটির সময়ে প্রাইভেট প্র্যাক্টিসের রমরমা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দেন। তাঁকে বলতে শোনা যায়, 'জনগণকে দেখার জন‍্য সরকার মাইনে দিচ্ছে। না পোষালে ছেড়ে দিন। শিক্ষক-চিকিৎসকদের সপ্তাহে অন্তত ৯৬ ঘণ্টা সেন্টারে থাকতে হবে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যে চিকিৎসক মহলের একাংশের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। সপ্তাহে ৯৬ ঘণ্টা হলে দৈনিক কত ঘণ্টা কাজ করতে হবে, তার হিসাবও কষতে শুরু করেন অনেকে। জল্পনার মধ্যে সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় শারদ্বত মুখোপাধ্যায় নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন।