Murder in Bally: ডাক্তারকে কাটারি দিয়ে কুপিয়ে খুন! পরিচারিকা পৌঁছলেন থানায়, বালির ঘটনায় তুঙ্গে চাঞ্চল্য
Crime in Bally: ছেলেকে নিয়ে ফ্ল্যাটে থাকতেন ডাক্তার, তাঁকে কাটারি দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ রয়েছে পরিচারিকার বিরুদ্ধে।
বালিতে এক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসককে খুনের অভিযোগ উঠল পারিচারিকার বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, বালিতে ফ্ল্যাটে ছেলেকে নিয়ে একা থাকতেন ওই চিকিৎসক। সেখানেই ওই পরিচারিকা কাটারি দিয়ে খুন করেন চিকিৎসককে, বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার হাওড়ার বালিতে এই খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম রামকৃষ্ণ চালকি। তাঁর বয়স ৪৩ বছর।

জানা যাচ্ছে, এই খুনের পর পরিচারিকা পৌঁছে যান থানায়। সেখানেই তিনি আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা গিয়েছে। এদিকে, চালকি পরিবারের তরফে পরিচারিকার বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেলিং-র অভিযোগ উঠছে। এদিন পরিচারিকাকে পুলিশ নিয়ে যাওয়ার সময়, তাঁকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। কিছু একটা নিচু গলায় বলতে চেষ্টা করলেও, তা স্পষ্ট শোনা যায়নি।
কী কারণে এই খুন, তার সদুত্তর মেলেনি। তদন্তে নেমেছে পুলিশ। মৃত চিকিৎসকের দাদা শ্রীধর চালকি অভিযোগ তোলেন, টাকা চেয়ে না পাওয়ায় এই খুন। এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে জানিয়েছেন, বালির জিটি রোডে গঙ্গার ধারের একটি আবাসনের দু’টি ফ্ল্যাটে ছেলেকে নিয়ে থাকতেন রামকৃষ্ণ। মা এবং স্ত্রী থাকতেন ডানকুনির বাড়িতে।বালিতেই ছিল রামকৃষ্ণ চালকির চেম্বার। এদিকে, এই খুনের পর থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন পরিচারিকা তপতী। কেন এমন খুন! তা নিয়ে ওঠে প্রশ্ন। তপতীকে জেরা করে আপাতত যা জানা গিয়েছে, রান্নাবান্নার জন্য বছর দেড়েক আগে ওই পরিচারিকাকে রেখেছিলেন রামকৃ্ষ্ণ। তিনি রান্নার পাশাপাশি গৃহ সহায়িকা হিসাবে ঘরের অন্য়ান্য় কাজেও সাহায্য করতেন।
চিকিৎসকের ছেলে খাওয়ার জন্য ফ্ল্যাটে ঢুকতেই দেখে বাবার রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। এদিকে, ততক্ষণে বালি থানায় আত্মসমর্পণ করে ফেলেছে তপতী। এরপরই ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। শুরু হয় তদন্ত। কেন এই খুন, তা নিয়ে বহু প্রশ্ন উঠছে। মৃতের দেহ ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরিচারিকা তপতীর সঙ্গে মৃতের কোনও সম্পর্ক ছিল কি না, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


