Annapurna Yojna 2026: ৩ জুনের পরও ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ বা ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’র টাকা পাননি? রইল স্ট্যাটাস জানার উপায়
অন্নপূর্ণা যোজনা বা লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা নিয়ে স্ট্যাটাস জানতে কী করণীয়, দেখে নিন।
অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় ৩০০০ টাকা কিম্বা লক্ষ্মীর ভান্ডার যোজনার আওতায় ১৫০০ টাকা প্রাপকদের ঘরে ঢোকার কথা। ৩ জুনের মধ্যে দুটির একটি প্রকল্পের টাকা অনেকেই পেয়েছেন। আবার বহুজন অপেক্ষা করে রয়েছেন, সেই টাকা অ্যাকাউন্টে ঢোকার জন্য। আপনার প্রাপ্য এই প্রকল্পের টাকার বর্তমান অবস্থান কী? তা জানতে কী করণীয় দেখে নিন।

উল্লেখ্য়, অন্নপূর্ণা যোজনার নতুন ফর্ম জমা না দেওয়া হলে, পুরনো লক্ষ্মীভান্ডার প্রাপকদের ১৫০০ টাকা পাওয়ার কথা। সরকারি নিয়ম অনুসারে সুবিধাভোগীরা সরাসরি ব্যাঙ্ক ট্রান্সফারের (DBT) মাধ্যমে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা পাবেন। বুধবার থেকে সেই টাকা অনেকের অ্যাকাউন্টেই ঢুকতে শুরু করেছে। প্রশ্ন হল, যাঁদের অ্যাকাউন্টে ডাকা ঢোকেনি, তাঁরা কীভাবে এই টাকা পাবেন? এর উত্তর পেতে দেখে নিতে হবে প্রাপকের স্ট্যাটাস।
এই যোজনায় প্রাপকের অর্থের স্ট্যাটাস জানতে হলে https://www.govtschemes.in/west-bengal-annapurna-bhandar-scheme এই লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে। সেখানে নিজের রাজ্যের নামটি বেছে নিন। এরপর যেতে হবে, Annapurna Bhandar Scheme Official Portal Link-এ। এরপর পর পর পন্থা মেনে ‘ট্র্যাক অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস’ অপশনে যেতে হবে। এখানেই দেখে নিতে হবে আপনার নাম নথিভূক্ত রয়েছে কি না। চলতি জুন মাসে আপনার অ্যাকাউন্টে ঢাকা ঢুকেছে কি না, সেটিও এই জায়গা থেকে দেখে নিতে পারবেন। ‘ট্র্যাক অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস’ এ গিয়ে ‘সার্চ ইউজিং’ অপশনে যেতে হবে। এখানে সিলেক্টে-এ নিজেদের ফোন নম্বর বা আধার নম্বর কিংবা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বরের যে কোনও একটি অপশনে ক্লিক করবেন। এরপর এন্টার ভ্যালু অপশনটি আসলে, সেই নম্বরটি দেবেন। এরপর আসবে ক্যাপচা অপশন। সেটি সঠিকভাবে দিয়ে সার্চ করুন। এভাবেই আপনার কাছে স্পষ্ট হতে পারে, প্রকল্পের আওতায় আপনার প্রাপ্য টাকার অবস্থান কী।
যদি অনলাইনে এই স্ট্যাটাস সম্পর্কে খোঁজ নিতে না পারেন, তাহলে অফলাইনেও খোঁজ পাবেন। সেক্ষেত্রে যেতে হবে স্থানীয় ব্লক অফিস বা পুরসভার অফিসে। সেখানে আবেদন গ্রহণের রসিদ দেখাতে হবে। তার প্রেক্ষিতে আপনি জানতে পারবেন তথ্য।
তবে এই প্রকল্পের টাকা পেতে গেলে, আবেদনকারীকে ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী হতে হবে। আবেদনকারীকে অবশ্যই মহিলা হতে হবে। আয়করদাতা হওয়া যাবে না। স্থায়ী বা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী অথবা রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকার, পঞ্চায়েত, পৌরসভা বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, স্থানীয় সংস্থা থেকে নিয়মিত বেতন বা পেনশন গ্রহণকারী হওয়া যাবে না। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের কোনও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক বা অশিক্ষক পদে কেউ নিযুক্ত থাকলে, তিনি এই প্রকল্পের টাকা হাতে পাবেন না।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


