Mamata's sentimental urge to people: তৃণমূলকে ভোট না দিলে আর সম্পর্ক রাখব না, আমি সেন্টিমেন্টাল, আবেগি বার্তা মমতার
তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট না দিলে আর সম্পর্ক রাখব না, আমি সেন্টিমেন্টাল, আবেগি বার্তা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আবেগ এবং লড়াইয়ের সংমিশ্রণে জনসংযোগ সারলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী।
মালদার মাটিতে দাঁড়িয়ে আবেগ এবং লড়াইয়ের সংমিশ্রণে জনসংযোগ সারলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা নির্বাচনের আবহে মালতীপুরের জনসভা থেকে জনসাধারণকে উদ্দেশ্য করে তিনি আবেগের সুরে বলেন যে যদি অন্য কাউকে ভোট দেন, তাহলে সম্পর্ক রাখবেন না তাঁদের সঙ্গে। তিনি অত্যন্ত ‘সেন্টিমেন্টাল’ বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। সেইসঙ্গে এটাও স্মরণ করিয়ে দেন যে তিনি মোটেও প্রতিহিংসামূলক মানুষ নন। ভোট না পেলেও উন্নয়নেন কাজ চালিয়ে যাবেন। তবে মনে একটা খারাপ লাগা থাকবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

‘যারা আমাদের চোর বলে….’, বার্তা মমতার
সেই রেশ ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা এখানে কংগ্রেসকে ভোট দেবেন কেন? তারা কি সরকার গঠন করতে পারবে? সিপিআইএম বিজেপির সঙ্গে হাত মেলাবে। যারা বিজেপির টাকায় চলে তাদের ভোট দিয়ে লাভ কী? তারা পরিযায়ী পাখির মতো হায়দরাবাদ থেকে বাংলায় আসে।’ সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যারা আমাদের চোর বলে, তারা দেশ বিক্রি করে দিয়েছে। তারা নিজেদের জন্য পাহাড় প্রমাণ টাকা জমিয়েছে।’
মুখ্যমন্ত্রী আর কী কী বললেন?
১) মুখ্যমন্ত্রী: আপনারা লোকসভায় কংগ্রেস ও বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনেও যদি আপনারা তাদের ভোট দেন, তবে আপনাদের ভোটাধিকারের জন্য লড়াই করবে কে? লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কৃষক বন্ধু এবং সমব্যথীর মতো সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা আপনারা পাবেন কীভাবে? যখন ভিন রাজ্যে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের পিটিয়ে মারা হয়, তখন এই রাজনৈতিক দলগুলো কোথায় থাকে? আমরাই তাদের দেহ ফিরিয়ে আনি। আমরাই পরিবারগুলোকে সাহায্য করি। পরিযায়ী শ্রমিকরা শুধু বিজেপি শাসিত রাজ্যেই আক্রান্ত হচ্ছেন না; বেঙ্গালুরুতেও তাঁদের টার্গেট করা হয়েছে। কর্ণাটকে কংগ্রেসের শাসন। তামিলনাড়ুতেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তখন এই দলগুলো চুপ কেন ছিল?
২) মুখ্যমন্ত্রী: আমি জানি যারা আগে বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন, তাদের মধ্যে অনেকেই এবার তাদের ভোট দেবেন না। তারা বুঝতে পারছেন যে বাংলাকে অপমান করা হচ্ছে। তাঁদের পরিবারের অনেক সদস্যও ভোটাধিকার হারিয়েছেন। সংখ্যালঘু হোক বা হিন্দু, তফসিলি জাতি বা তফসিলি উপজাতি হোক - বেছে বেছে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। আমার পরিবারেরও দু-তিনজন সদস্যের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আমরা সবাই কি অনুপ্রবেশকারী? বাংলায় কথা বললেই কি আমরা অনুপ্রবেশকারী হয়ে যাই?
আরও পড়ুন: কালো রঙের ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়্যাল! এক সময়ে এমনই রং করা হয়েছিল, ছবিটি দেখতে চান?
৩) মুখ্যমন্ত্রী: বিজেপি আপনাদের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে। কাল তারা আপনাদের জমি এবং ভাষাও কেড়ে নেবে। বিজেপি শাসিত রাজ্যে মাংস, মাছ ও ডিম খাওয়ার অনুমতি নেই।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


