Illegal Construction Bulldozer: বেলেঘাটা, কসবা, তিলজলায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে বুলডোজার নামল রবিবাসীরয় কলকাতায়
তিলজলায় সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডে দু’জনের মৃত্যুর ঘটনার পর থেকেই প্রশাসন বেআইনি নির্মাণ এবং অগ্নি-নিরাপত্তা না মানা কারখানাগুলির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছে। রবিবার সকালে ৬৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় পুরসভার বুলডোজার পৌঁছে যায়। ওই এলাকায় অবৈধ নির্মাণ ভাঙাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
কলকাতা জুড়ে বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ফের বড়সড় অভিযানে নামল কলকাতা পুরসভা। রবিবার সকাল থেকেই বেলেঘাটা, তিলজলা, কসবা-সহ শহরের একাধিক এলাকায় বুলডোজার নিয়ে অভিযান চালানো হয়। পুরসভার ডেমোলিশন টিমের সঙ্গে ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। গোটা এলাকা ঘিরে রেখে একাধিক অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু হয়।

তিলজলায় সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডে দু’জনের মৃত্যুর ঘটনার পর থেকেই প্রশাসন বেআইনি নির্মাণ এবং অগ্নি-নিরাপত্তা না মানা কারখানাগুলির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছে। রবিবার সকালে ৬৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় পুরসভার বুলডোজার পৌঁছে যায়। ওই এলাকায় অবৈধ নির্মাণ ভাঙাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
এদিন বেলেঘাটার ইস্ট কুরিয়া রোডেও অভিযান চালায় পুরসভা। অভিযোগ, নির্মীয়মাণ একটি বাড়ি অনুমোদিত নিয়ম না মেনেই তৈরি করা হচ্ছিল। কয়েক দিন আগেই ওই বাড়িতে নোটিস পাঠানো হয়েছিল বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনও উত্তর না পাওয়ায় ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রথমে হাতুড়ি ও গাঁইতি দিয়ে ভাঙা শুরু হলেও পরে বুলডোজার নামানো হয়।
অন্যদিকে কসবাতেও অবৈধ বহুতল নির্মাণ নিয়ে অভিযান চালানো হয়। জমি কেলেঙ্কারি মামলায় ধৃত সোনা পাপ্পুর এলাকার কয়েকটি নির্মাণকে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছিল। কসবায় যে বাড়িটি ভাঙা হচ্ছে, সেই নির্মাণেও সোা পাপ্পুর যোগ ছিল বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। সেই পাঁচতলা বাড়িটি দুটো বাড়ির মাঝে কোনওক্রমে দাঁড়িয়ে আছে। সেখানে পৌঁছে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, আগের সরকারের আমলে টাকার বিনিময়ে বহু বেআইনি নির্মাণ হয়েছে এবং যাঁরা এই কাজে যুক্ত ছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে আশপাশের বাড়ির যাতে ক্ষতি না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
তবে এই বুলডোজার অভিযানের বিরুদ্ধেও প্রশ্ন উঠেছে। কলকাতা হাই কোর্ট ইতিমধ্যেই তিলজলার একটি বহুতল ভাঙার ক্ষেত্রে আপাতত স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, আইন মেনে প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই পুরসভাকে পদক্ষেপ করতে হবে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


