India intelligence along Bangladesh border: বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের গোয়েন্দা গতিবিধি বাড়ছে! পশ্চিমবঙ্গে মেগা প্ল্যান
India intelligence along Bangladesh border: বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক আরও মজবুত করতে চাইছে নয়াদিল্লি। সেজন্য পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকায় বড় পদক্ষেপ করার পরিকল্পনা করছে ভারত সরকার।
India intelligence along Bangladesh border: বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর সেজন্য গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার পথে হাঁটছে নয়াদিল্লি। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (আইবি) রাজ্যস্তরের ৪০টি স্থায়ী অফিস তৈরির পদক্ষেপ শুরু করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি ও অনুপ্রবেশ-বিরোধী অভিযানের উপরে আরও জোর দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ, চোরাচালানের মতো সমস্যা আছে। তারপর শিলিগুড়ি করিডরের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা থাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা একেবারে দুর্ভেদ্য করে তুলতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার।

ভাড়াবাড়ির পরিবর্তে স্থায়ী অফিস হবে
সংবাদমাধ্যম দ্য স্টেটসম্যানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবিত স্থায়ী অফিস তৈরির জন্য ৫০ একরের মতো জমি প্রয়োজন হবে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরে জমি পাওয়ার বিষয়টা এখন সহজ হয়ে গিয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে কলকাতার বাইরে মূলত বাড়ি ভাড়া নিয়ে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর এরকম আঞ্চলিক অফিস চালানোর ব্যবস্থা বন্ধ করে স্থায়ী অফিস-কাম-রেসিডেন্সিয়াল ক্যাম্পাস তৈরি করা হবে। সেজন্য ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে রোডম্যাপ নিয়ে আলোচনা করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।
ভারতের গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক আরও মজবুত হবে
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাড়াবাড়ি থেকে স্থায়ী অফিস পেলে গোয়েন্দারা আরও গোপনীয়তার সঙ্গে কাজ করতে পারবেন। কোনও অপারেশনের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা বজায় রাখা যাবে। অত্যন্ত সংবেদনশীল সীমান্তবর্তী এলাকায় গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক আরও মজবুত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো দরকার কেন?
আর কেন্দ্রীয় সরকারের পদক্ষেপ যে কতটা জরুরি, সেটার প্রমাণ মিলেছে নয়া পরিকল্পনা সামনে আসার আবহেই। পূর্ব বর্ধমান থেকে সন্দেহভাজন জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধরা পড়েছে তার বান্ধবীও। গোয়েন্দারা প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন, পাকিস্তানের জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে যোগ ছিল দু'জনের। তাদের নির্দেশেই কাজ করছিল।
যে পাকিস্তানের সঙ্গে শেখ হাসিনার পতনের পরে বাংলাদেশের দহরম-মহরম মারাত্মক বেড়েছিল মহম্মদ ইউনুসের আমলে। সেই পরিস্থিতিতে ভারত-বিরোধী শক্তি মাথাচাড়া দিয়েছিল বাংলাদেশে। ফলে বাংলাদেশ সীমান্তেও সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও মজবুত করতে চাইছে ভারত সরকার।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


