Bengal National Highways Project: পশ্চিমবঙ্গের জাতীয় সড়কের জন্য প্রায় ২,১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ৩২৭ নম্বর জাতীয় সড়কের বাগডোগরা-পানিট্যাঙ্কি-খড়িবাড়ি-গলগলিয়া অংশকে চার লেনে পরিণত করার জন্য ২,০৭৭.১৮ কোটি টাকার মঞ্জুর করা হয়েছে। আর সেই কাজটা শেষ হয়ে গেলে বাগডোগরা, খড়িবাড়ি, পানিট্যাঙ্কি, নকশালবাড়ি এলাকায় যানজট কমে যাবে। সার্বিকভাবে শিলিগুড়ি করিডর-সহ উত্তরবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও মজবুত হবে বলে সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে আশাপ্রকাশ করা হয়েছে।
৩ বড়, হাতি চলাচলের জন্য আন্ডারপাসও থাকছে

আর সেই প্রকল্পের বিষয়ে কেন্দ্রীয় সড়ক মন্ত্রী নীতীন গডকড়ি বলেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে আমরা দার্জিলিং জেলার ৩২৭ নম্বর জাতীয় সড়কের (NH-327) ৩১.০২ কিলোমিটারের বাগডোগরা-পানিট্যাঙ্কি-খড়িবাড়ি-গলগলিয়া সেকশনের চার লেনিংয়ের জন্য ২,০৭৭.১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি। সেই প্রকল্পের আওতায় তিনটি বড় সেতু, একটি রোড ওভার ব্রিজ (ROB), পাঁচটি হাতি চলাচলের আন্ডারপাস এবং উভয়দিকে সার্ভিস রোড নির্মাণ করা হবে। তার ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি মানুষ ও বন্যপ্রাণীদের জন্যই নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে।’
চিকেনস নেক আরও সুরক্ষিত হবে, মজবুত হবে যোগাযোগ ব্যবস্থা
সেইসঙ্গে নয়া প্রকল্পের ফলে শিলিগুড়ি করিডর তথা চিকেনস নেক আরও সুরক্ষিত হবে হয়ে উঠবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেছেন, ‘কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডর বরাবর অবস্থিত এই জাতীয় সড়ক উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও মজবুত করবে। পাশাপাশি নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের দিকে যাতায়াত ব্যবস্থাকে উন্নত করবে।’
{{/usCountry}}সেইসঙ্গে নয়া প্রকল্পের ফলে শিলিগুড়ি করিডর তথা চিকেনস নেক আরও সুরক্ষিত হবে হয়ে উঠবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেছেন, ‘কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডর বরাবর অবস্থিত এই জাতীয় সড়ক উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও মজবুত করবে। পাশাপাশি নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের দিকে যাতায়াত ব্যবস্থাকে উন্নত করবে।’
{{/usCountry}}যানজট কমবে বাগডোগরা-সহ উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশের, ছুটবে হাইস্পিডে
পাশাপাশি তিনি বলেছেন, '(ওই ৩১.০২ কিমি অংশে জাতীয় সড়ককে) চার লেনের করে তোলার ফলে বাগডোগরা, নকশালবাড়ি, খড়িবাড়ি ও পানিট্যাঙ্কির যানজট কমবে। বাগডোগরা বিমানবন্দর এবং ওই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলির সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করবে। পাশাপাশি কৃষি, উদ্যানপালন ও চা-সহ স্থানীয় অন্যান্য পণ্য বড় বাজারগুলোতে দ্রুত পৌঁছে দেওয়া সম্ভব করে তুলবে।