...
...
Next Story

Bengal Hospital Success Story: শ্বাসনালিতে আটকে কালোজামের বীজ, ভিতরেই ভেঙে আন্দামানের বৃদ্ধাকে বাঁচাল কলকাতা

Bengal Hospital Success Story: শ্বাসনালিতে আটকে ছিল কালোজামের বীজ। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের এক বৃদ্ধাকে বাঁচালেন কলকাতার চিকিৎসকরা। সেই বীজ শ্বাসনালির ভিতরেই ভেঙে দেওয়া হয়। করা হয় দেড় ঘণ্টার জটিল অপারেশন।

Published on: Sep 4, 2026, 13:14:00 IST
Advertisement

Bengal Hospital Success Story: কালোজাম খেতে গিয়ে বীজ আটকে গিয়েছিল বাম ব্রঙ্কাসে। প্রায় তিন মাস ধরে সেখানেই আটকে ছিল বীজ। কিছুতেই বের করা যাচ্ছিল না। দু'বার বীজ বের করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হতে হয়েছিল। শেষপর্যন্ত জটিল ব্রঙ্কোস্কোপি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের সত্তরের কোঠায় থাকা এক দৃষ্টিহীন বৃদ্ধার বাঁ-দিকের ব্রঙ্কাস থেকে আটকে থাকা কালোজামের বীজ বের করে ফেললেন কলকাতার চিকিৎসকরা। কলকাতার এইচপি ঘোষ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল সেই অপারেশন করেছেন।

৯০ মিনিটের ব্রঙ্কোস্কোপিক অস্ত্রোপচার চিকিৎসকদের

শ্বাসনালিতে আটকে কালোজামের বীজ, ভিতরেই ভেঙে আন্দামানের বৃদ্ধাকে বাঁচাল কলকাতা। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Nano Banana দিয়ে তৈরি)
শ্বাসনালিতে আটকে কালোজামের বীজ, ভিতরেই ভেঙে আন্দামানের বৃদ্ধাকে বাঁচাল কলকাতা। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Nano Banana দিয়ে তৈরি)

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ৯০ মিনিটের ব্রঙ্কোস্কোপিক অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকরা দেখেন যে কালোজামের বীজটি আঠালো ও শক্তভাবে শ্বাসনালির গায়ে আটকে রয়েছে। আস্ত অবস্থায় বীজটি টেনে বের করতে গেলে ফুসফুসে মারাত্মক আঘাত লাগার বা বীজটি পিছলে আরও ভিতরে ঢুকে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। সেই ঝুঁকি এড়াতে পালমোনোলজি টিম বিশেষ ব্রঙ্কোস্কোপিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে বিশেষ কৌশল নেওয়া হয়। চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় র‍্যাট-টুথড ফোরসেপ, ডরমিয়া বাস্কেট এবং ওয়ালনাট ফোরসেপ।

আরও পড়ুন: Breathing Problems Symptoms in Bengali: তরুণ বয়সেই শ্বাসকষ্টে ভুগছেন না তো? হাঁপানি-সহ এই ‘সিগন্যালগুলো’ এড়িয়ে যাবেন না

শ্বাসনালির ভিতরেই ছোটো-ছোটো করা হয় বীজকে

বিষয়টি আরও ব্যাখ্যা করে তাঁরা জানিয়েছেন, বীজ যাতে একটুও গলে নিচে না যায়, তা নিশ্চিত করে চিকিৎসকরা সেটিকে শ্বাসনালির ভিতরেই ছোটো-ছোটো টুকরোয় ভেঙে ফেলেন। এরপর ব্রঙ্কোস্কোপের সাহায্য নিয়ে প্রতিটি ভাঙা অংশ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এক-এক করে টেনে বের করে আনা হয়। টানা ৯০ মিনিট ধরে চলে এই অস্ত্রোপচার। পুরো সময় ধরে ব্রঙ্কোস্কোপি এবং অ্যানাস্থেশিয়া দলের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন সমন্বয় বজায় রাখা হয়েছিল।

আর সেই অস্ত্রোপচার সফল হওয়ার পর সমস্ত অংশ বের করে এনে শ্বাসনালি সম্পূর্ণ পরিষ্কার করা হয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, ভেন্টিলেটর থেকে ধীরে-ধীরে রোগীকে সরিয়ে নেওয়া হয়। বৃদ্ধা অল্প সময়ের মধ্যেই নিজে থেকে স্বাভাবিক শ্বাস নিতে শুরু করেন। কয়েক দিনের পর্যবেক্ষণের পর তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। ছুটি দেওয়া হয় হাসপাতাল থেকে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe