Japan Pak Mosque Controversy: পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে মসজিদ উদ্বোধন জাপানে, 'বেআইনি' আখ্যা সরকারের
অভিযোগ, প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমতি ছাড়াই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর জাপানি প্রশাসন নির্মাণটিকে বেআইনি বলে চিহ্নিত করেছে এবং ভবনটি ভেঙে ফেলার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।
জাপানের সাইতামা প্রদেশের কাওয়াগোয়ে শহরে একটি মসজিদকে ঘিরে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমতি ছাড়াই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর জাপানি প্রশাসন নির্মাণটিকে বেআইনি বলে চিহ্নিত করেছে এবং ভবনটি ভেঙে ফেলার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি আরও আলোচনায় এসেছে কারণ চলতি বছরের শুরুতে জাপানে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত আবদুল হামিদ ওই মসজিদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

জাপানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৪,৫০০ বর্গমিটার জমির উপর মসজিদটি নির্মিত হয়েছে। ওই এলাকা পাহাড়ি বনভূমি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ এবং ‘আরবানাইজেশন কন্ট্রোল এরিয়া’-র আওতায় পড়ে। এই ধরনের এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনের বিশেষ অনুমতি ছাড়া কোনও স্থায়ী নির্মাণ করার নিয়ম নেই। কিন্তু কাওয়াগোয়ে শহর প্রশাসনের দাবি, মসজিদ নির্মাণের ক্ষেত্রে কোনও অনুমোদন নেওয়া হয়নি। ফলে নির্মাণটি নগর পরিকল্পনা আইন লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিতর্ক বাড়ার পর জাপানে অবস্থিত পাকিস্তান দূতাবাস নিজেদের এই প্রকল্প থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জাপানে বসবাসকারী পাকিস্তানি নাগরিকদের স্থানীয় আইন ও নিয়মকানুন মেনে চলা উচিত এবং প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়া কোনও নির্মাণকাজ শুরু করা উচিত নয়। দূতাবাস আরও দাবি করেছে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূতকে আমন্ত্রণ জানানো হলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে সমস্ত প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। সেই আশ্বাসের ভিত্তিতেই তিনি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন।
এদিকে জাপানে বসবাসকারী পাকিস্তানি সম্প্রদায়ের একাংশও এই ঘটনায় অস্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, স্থানীয় আইন না মেনে ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ করলে তা সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটতে পারে। বর্তমানে জাপানি প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে মসজিদটির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। ফলে পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে উদ্বোধন হওয়া এই মসজিদ এখন কূটনৈতিক ও আইনি—দুই ক্ষেত্রেই বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


