Jyotipriya Mallick Leaves TMC: মমতাকে বড় ধাক্কা বালুর ! তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়লেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক
ইস্তফাপত্রে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক তাঁর শারীরিক অসুস্থতার কথা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। বর্তমানে তাঁর রক্তে শর্করার মাত্রা ৩৫০-র কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ফের ধাক্কা খেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের বর্ষীয়ান নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এরই সঙ্গে তিনি কার্যত বুঝিয়ে দিয়েছেন, তৃণমূলের সঙ্গেও তিনি সম্পর্ক ছিন্ন করছেন। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি পাঠিয়ে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও বিশ্বস্ত নেতা হিসেবে পরিচিত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। ১৯৭৮ সাল থেকে মমতার সঙ্গে আছেন জ্যোতিপ্রিয়। তবে ২০২৬ সালে এসে তিনি মমতার সঙ্গ ত্যাগ করলেন।

সূত্রের খবর, ইস্তফাপত্রে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক তাঁর শারীরিক অসুস্থতার কথা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। বর্তমানে তাঁর রক্তে শর্করার মাত্রা ৩৫০-র কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। পাশাপাশি কিডনির জটিল সমস্যাও দেখা দিয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাঁকে এখন বিশ্রামে থাকতে হচ্ছে এবং নিয়মিত চিকিৎসার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। এই অবস্থায় দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না বলেই তিনি দলনেত্রীকে জানিয়েছেন।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন ওয়ার্কিং কমিটিতে জায়গা পেয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। দলের পুনর্গঠনের সময়ে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নেতৃত্ব। কিন্তু সেই দায়িত্ব গ্রহণের আগেই স্বাস্থ্যগত কারণে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। সঙ্গে জানিয়ে দেন, বর্তমানে তাঁর যা শারীরিক অবস্থা তাতে দলের হয়ে কোনও কাজ করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।
জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই দলের অন্যতম পরিচিত মুখ। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা রাজনৈতিক মহলে স্বীকৃত। খাদ্যমন্ত্রী এবং পরে বনমন্ত্রী হিসেবেও তিনি দায়িত্ব সামলেছেন। দলের অভ্যন্তরে তাঁর ডাকনাম ‘বালু’। সেই কারণেই তাঁর পদত্যাগের খবর সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে, কী কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের এই বিশ্বস্ত সৈনিক সক্রিয় সাংগঠনিক রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ালেন?
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


