KMC Update: মেয়রের পদত্যাগের পর কলকাতা পুরসভার বোর্ড ভাঙা হবে কি? এক নির্দেশ দিচ্ছে সরকার, অন্য ব্যাখ্যা চেয়ারপার্সনের
KMC Latest Update: পৌর ও নগরোন্নয়ন দফতর কলকাতা পুরসভার ১৯৮০ সালের আইনের ১১৭(১) ধারা অনুযায়ী পুর কমিশনারকে নোটিশ পাঠিয়ে বোর্ড ভাঙার প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে। অন্যদিকে, কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায় ভিন্ন ব্যাখ্যা তুলে ধরে বোর্ড ভাঙার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
KMC Latest Update: কলকাতা পুরসভার বোর্ড ভাঙা হবে কি না এবং নতুন মেয়র নির্বাচনের প্রক্রিয়া কীভাবে এগোবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। একদিকে পৌর ও নগরোন্নয়ন দফতর কলকাতা পুরসভার ১৯৮০ সালের আইনের ১১৭(১) ধারা অনুযায়ী পুর কমিশনারকে নোটিশ পাঠিয়ে বোর্ড ভাঙার প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে। অন্যদিকে, কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায় ভিন্ন ব্যাখ্যা তুলে ধরে বোর্ড ভাঙার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

মালা রায়ের দাবি, কলকাতা পুরসভার ১৯৮০ সালের আইনের ৩৮ নম্বর ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, মেয়র অনুপস্থিত থাকলে, ছুটিতে থাকলে বা অন্য কোনও কারণে নিজের দায়িত্ব পালন করতে না পারলে ডেপুটি মেয়র সেই দায়িত্ব পালন করতে পারেন। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে বোর্ড ভাঙার কোনও প্রয়োজন নেই। বরং নতুন মেয়র নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ডেপুটি মেয়র প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করতে পারবেন। পরে আস্থা ভোটের মাধ্যমে নতুন মেয়র নির্বাচন করে পুরসভার কাজ স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব।
চেয়ারপার্সনের এই অবস্থান কার্যত বোর্ড ভাঙার সম্ভাবনায় জল ঢেলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১৯ জুন কলকাতা পুরসভার মাসিক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। ফলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক সংঘাতের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপি কাউন্সিলর ও বিধায়কের বক্তব্য, মেয়রের পদত্যাগের সঙ্গে বোর্ডের অস্তিত্বও প্রশ্নের মুখে পড়ে। তাঁর মতে, কাউন্সিলররা পদে থাকলেও মেয়র-ইন-কাউন্সিল বা এমআইসি না থাকলে কার্যত বোর্ড ভেঙে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত ব্যাখ্যা দেওয়ার দায়িত্ব পুর কমিশনারের বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর শোভন চট্টোপাধ্যায় মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর ফিরহাদ হাকিম ২০২০ সালের ৭ মে পর্যন্ত দায়িত্ব সামলেছিলেন। পরে করোনা পরিস্থিতির জেরে কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। সেই সময় বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। পরবর্তীতে নির্বাচন শেষে ২০২১ সালের ২৮ ডিসেম্বর তিনি পুনরায় কলকাতা পুরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


