Suvendu on West Bengal: 'কথা কম, কাজ বেশি', ২০৩১-তে ৬০% ভোট পাওয়ার লক্ষ্য বাঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু
Suvendu on West Bengal: পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজেপি তাঁর নামে সিলমোহর দেওয়ার পরই স্পষ্ট বার্তা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন যে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য় বিজেপির সংকল্পপত্রে যা যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেগুলি পূরণ করা হবে।
Suvendu on West Bengal: ‘কথা কম, কাজ বেশি’- পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজেপি তাঁর নামে সিলমোহর দেওয়ার পরই সেই বার্তা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে বিজেপির নব-নির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠকের পরে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য় বিজেপির সংকল্পপত্রে যা যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেগুলি পূরণ করা হবে। বন্ধ করা হবে অনুপ্রবেশ। নিশ্চিত করা হবে মহিলাদের সুরক্ষা। সেইসঙ্গে শুভেন্দু দাবি করেন, ২০৩১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৬০ শতাংশ ভোট পেতে হবে বিজেপিকে।

ভবানীপুরে জয় ও শুভেন্দুর মুখ্যমন্ত্রিত্ব
এমনিতে আর শুভেন্দুকে যে বিজেপির পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হবে, তা কার্যত নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল ভবানীপুর বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরে। শুধু অপেক্ষা ছিল আনুষ্ঠানিকতার এবং বিজেপির চিরাচরিত সারপ্রাইজ নীতির দিকে। শেষপর্যন্ত সারপ্রাইজ নীতির পথে হাঁটেনি পদ্মশিবির। বরং রাজনৈতিক দিক থেকে সবথেকে ‘যোগ্য’ ব্যক্তিকেই মুখ্যমন্ত্রী করার ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
কী কারণে শুভেন্দু মুখ্যমন্ত্রী হলেন?
সেই সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা করে বিজেপি বিধায়কদের বৈঠকের আগে এক শীর্ষ বিজেপি নেতা বলেন, 'তৃণমূলের বিরুদ্ধে তাঁর ধারাবাহিক রাজনৈতিক লড়াই, সাংগঠনিক প্রভাব এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচনী জয় তাঁর দাবিকে আরও শক্তিশালী করেছে।' যে শুভেন্দু ২০২০ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। আর সাড়ে পাঁচ বছরের মাথায় তৃণমূল সুপ্রিমোকে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি থেকে সরিয়ে দিয়ে ইতিহাসে প্রথমবার বাংলার বিজেপি সরকারকে নেতৃত্ব দেবেন।
সূত্রের খবর, কিছুক্ষণ পরেই লোকভবনে গিয়ে সরকার গঠনের দাবি জানাবেন শুভেন্দু। এবার ২৯৩টি আসনের মধ্যে ২০৭টি জিতে যাওয়ায় সংখ্যা প্রমাণ নিয়ে কোনও সমস্যাই নেই বিজেপির। নেহাতই আনুষ্ঠানিকতা পূরণ করা হবে। আর তারপর শনিবার সকালে ব্রিগেডের মাঠে পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের শপথ নেওয়ার কথা আছে। সেজন্য শেষমুহূর্তের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে ব্রিগেডে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


