Tribal Music Creators: রাজবংশী-সহ আদিবাসী সঙ্গীতের সুর এবার সুরক্ষিত! 'অনামী' শিল্পীরা পাবেন অধিকার
Tribal Music Creators: আদিবাসী শিল্পীদের নিয়ে কলকাতায় যে ‘লিভিং রুটস অরিজিনালস’-র আয়োজন করা হয়, তার নেতৃত্বে ছিলেন সঙ্গীত প্রযোজক উপালি চট্টোপাধ্যায়। তিনি ছিলেন প্রধান মেন্টর। সেখানে বিভিন্ন শিল্পীরা যোগ দেন।
Tribal Music Creators: ভারতের ঐতিহ্য ও আদিবাসী সংস্কৃতির সুর এবার পেতে চলেছে আন্তর্জাতিক মানের আইনি সুরক্ষা ও স্থায়ী অর্থনৈতিক ভিত্তি। দেশের আদিবাসী শিল্পীদের সৃজনশীলতা, ঐতিহ্যগত সুর এবং মৌলিক সঙ্গীতকর্মের মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল ভারত সরকারের আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রক। 'ইন্ডিয়ান পারফর্মিং রাইট সোসাইটি' (IPRS)-র সরাসরি সহযোগিতায় শুরু হল ‘লিভিং রুটস অরিজিনালস’। এটি মূলত আদিবাসী গীতরচনা ও স্রষ্টার অধিকার সুরক্ষার একটি বিশেষ উদ্যোগ, যার মূল উদ্দেশ্য হল দেশের কোণে-কোণে ছড়িয়ে থাকা আদিবাসী শিল্পীদের সৃজনশীল ও অর্থনৈতিক পরিসরকে আরও শক্তিশালী করা।

স্বীকৃতি, রয়্যালটি এবং কপিরাইট: আদিবাসী সঙ্গীতের নতুন দিগন্ত
বহু বছর ধরে দেশের আদিবাসী সম্প্রদায়ের সঙ্গীত ও সুর নানাভাবে ব্যবহৃত হলেও অনেক ক্ষেত্রেই মূল স্রষ্টারা উপযুক্ত মর্যাদা বা আর্থিক লভ্যাংশ পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, পেশাদার পরামর্শদান, কপিরাইটের আইনি মালিকানা, পেশাদার সঙ্গীত প্রযোজনা এবং দীর্ঘমেয়াদি রয়্যালটি-ভিত্তিক আয়ের সুনির্দিষ্ট সুযোগ তৈরি করার জন্যই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে আদিবাসী সম্প্রদায়ের সৃষ্ট প্রতিটি মৌলিক গান ও সুরকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে, যা বাণিজ্যিক সঙ্গীত ব্যবস্থার মধ্যেও এই শিল্পীদের 'স্রষ্টা' ও 'স্বত্বাধিকারী' হিসেবে তুলে ধরবে।
কোন কোন শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন?
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের ৩ থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত কলকাতায় আয়োজিত হয় প্রথম পর্যায়ের 'গীতরচনা রেসিডেন্সি'। সেখাে পাঁচটি রাজ্যের আটটি আদিবাসী সম্প্রদায়ের মোট ২৫ জন শিল্পী অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন কেরলমের জেনু কুরুবা ও পানিয়া, ঝাড়খণ্ডের হো, পশ্চিমবঙ্গের কোচ রাজবংশী, নাগাল্যান্ডের চাকেসাং এবং ছত্তিশগড়ের গোন্ড, মাড়িয়া ও মাহারা সম্প্রদায়ের শিল্পীরা।
কী বললেন আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রকের সচিব?
সেই উদ্যোগ নিয়ে আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রকের সচিব রঞ্জনা চোপড়া প্রামাণিক জানান, আদিবাসী শিল্পীদের জন্য একটি প্রাথমিক তথ্যভাণ্ডার ও নথিভুক্তিকরণ, বিভিন্ন অঞ্চলের আদিবাসী সম্প্রদায়গুলির অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিনিধিত্ব, সঙ্গীত বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের মতামত ও অনুমোদন, ন্যায্য রয়্যালটি ও সুবিধা ভাগাভাগির ব্যবস্থা, সম্মিলিত আদিবাসী মেধাস্বত্বের অধিকার সুরক্ষা এবং যথাযথভাবে সম্প্রদায়ের স্বীকৃতি ও মালিকানা নিশ্চিত করতে হবে। আদিবাসী শিল্পীদের জন্য নয়া দিগন্ত উন্মোচন করতে পেশাদার সঙ্গীত প্রযোজনা, রেকর্ডিং, বিতরণ এবং ডিজিটাল ও পেশাদার প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বৃহত্তর পরিসরে প্রচারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


