WB Purohit-Muezzin honorarium: ভোট ঘোষণার ৮০ মিনিট আগে পুরোহিত ও মুয়াজ্জিন ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা মমতার, কত টাকা?
বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার ৮০ মিনিট আগে পুরোহিত ও মুয়াজ্জিনদের ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বিকেল চারটেয় দিল্লি থেকে পশ্চিমবঙ্গ-সহ চার রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।
ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার ৮০ মিনিট আগে পুরোহিত ও মুয়াজ্জিনদের ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বিকেল চারটেয় দিল্লি থেকে পশ্চিমবঙ্গ-সহ চার রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। আর ঠিক ৮০ মিনিট (১ ঘণ্টা ২০ মিনিট) আগে দুপুর দুটো ৪০ মিনিট নাগাদ পুরোহিত ও মুয়াজ্জিনদের মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা করে বাড়ানোর ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই ঘোষণার ফলে তাঁরা এবার থেকে মাসিক ভাতা হিসেবে ২,০০০ টাকা পাবেন। সেইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, নতুন করে যাঁরা পুরোহিত ও মুয়াজ্জিন ভাতা পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন, সেগুলিও মঞ্জুর করে দিয়েছে রাজ্য সরকার।

আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার ঠিক আগেই ঘোষণা
আর যে সময় সেই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে-সঙ্গে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হয়ে যায়। অর্থাৎ তখন এরকম কোনও ঘোষণা করা যায় না। সেই পরিস্থিতিতে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ, অনিয়ম, বেকারত্ম, শিল্পের অভাবের মতো অভিযোগে বিদ্ধ মমতা সরকার একেবারে শেষবেলায় পুরোহিত ও মুয়াজ্জিনদের ভাতা বৃদ্ধি করে তাঁদের মন জয়ের চেষ্টা করল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
১,৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ভাতা হল ২,০০০ টাকা
মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, এখন থেকে পুরোহিত ও মুয়াজ্জিনদের মাসিক সাম্মানিক ভাতার পরিমাণ আরও ৫০০ টাকা বাড়ানো হল। আগে যেখানে এই ভাতার পরিমাণ ছিল ১,৫০০ টাকা। নতুন এই সংশোধনের ফলে তা বেড়ে দাঁড়াল ২,০০০ টাকা। সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই বর্ধিত টাকা পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: WB Election 2026 Date Live Updates: পশ্চিমবঙ্গে কবে ও কত দফায় ভোট? পুরো সূচির লাইভ আপডেট
'সমাজের সাংস্কৃতিক স্তম্ভ হলেন পুরোহিত এবং মুয়াজ্জিনরা'
মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বার্তায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, সমাজের সাংস্কৃতিক এবং আধ্যাত্মিক স্তম্ভ হলেন পুরোহিত এবং মুয়াজ্জিনরা। তাঁদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং সম্মান নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। তাঁর কথায়, ‘আমাদের লক্ষ্য এমন একটি পরিবেশ গড়ে তোলা যেখানে প্রতিটি সম্প্রদায় এবং প্রতিটি ঐতিহ্য মর্যাদা পায়। আমাদের সমৃদ্ধ আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের ধারক-বাহকরা যাতে তাঁদের প্রাপ্য স্বীকৃতি এবং সমর্থন পান, তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান প্রচেষ্টা।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper











