Mamata speech at Eid Prayer: ‘বাংলাকে টার্গেট করা লোকেরা জাহান্নামে যাক’, ইদে জোর হুংকার মমতার, নিশানায় মোদীও
রেড রোডে ইদের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই সবথেকে বড় অনুপ্রবেশকারী।’ সেই রেশ ধরে ‘বিজেপি হটাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগান তুলে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সুর বেঁধে দেন।
ইদের মঞ্চ থেকে বিজেপি-বিরোধিতার সুর বেঁধে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরাসরি নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। তাঁকে ‘সবথেকে বড় অনুপ্রবেশকারী’ বলে আক্রমণ শানান। সেই রেশ ধরে ‘বিজেপি হটাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগান তুলে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সুর বেঁধে দেন। শনিবার রেড রোডে ইদ উদযাপনের অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অধিকার আমার মোদীজিকে ছিনিয়ে নিতে দেব না। আমাদের একটাই কাজ। আপনি সৌদি আরবে গিয়ে হাত মেলান। মিলিয়ে আসুন। আমি সব দেশকে পছন্দ করি। আমি আমার ভারতকে নিয়ে গর্বিত। আমি বিশ্বকে নিয়ে গর্বিত। শান্তির জন্য এই বার্তা পুরো দুনিয়ার কাছে ছড়িয়ে পড়ুক। আপনি যখন দুবাইয়ে যান….দুবাই আমাদের ভারতের বন্ধু...আপনি যখন ওখানে গিয়ে বন্ধুত্ব তৈরি করেন, গলা মেলান, তখন আপনার কোনও যায় আসে না যে ওঁরা হিন্দু নাকি মুসলিম? আর ভারতে এসে আপনি ভুলে যান। আপনি বলেন, এর নাম কেটে দাও, ওর নাম কেটে দাও, এরা সব অনুপ্রবেশকারী। আমি তো বলব, আপনি সবথেকে বড় অনুপ্রবেশকারী।’

'বাংলাকে টার্গেট করা লোকজন যেন জাহান্নামে যায়'
আর রেড রোডের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী যে বিজেপি-বিরোধিতার সুর তুঙ্গে নিয়ে যাবেন, তা প্রত্যাশিতই ছিল রাজনৈতিক মহলের কাছে। অতীতে সেই মঞ্চ থেকে রাজনৈতিক সুর বেঁধে দিয়েছিলেন। এবার বিধানসভা নির্বাচনের আগেও সেই পথে হাঁটলেন। মুখ্যমন্ত্রী হুংকার দিয়ে বলেন যে যাঁরা বাংলাকে টার্গেট করছেন, তাঁরা যেন জাহান্নামে যান।
'পরিবারের একজন হিসেবে আমি দাঁড়িয়ে আছি', আশ্বাস মমতার
মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (এসআইআর) ছলে বাংলার মানুষের নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে। সেজন্য তিনি কলকাতা হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন। যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে বাংলার সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের পাশে পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন বলে আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো।
সেই রেশ ধরে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে দেওয়া হয়েছে। কারণ ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার হওয়ার পরই মুখ্যসচিব থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্র সচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতা পুলিশের কমিশনার, একাধিক জেলার জেলাশাসক-সহ পুলিশ-প্রশাসনে পুরো তোলপাড় করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যদিও তাতে তৃণমূলকে দমানো যাবে না বলে দাবি করেছেন মমতা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


