‘এমনিতেই খুব টেনশন..’, ২৫ ডিসেম্বরের এক সপ্তাহ আগে কলকাতায় বড়দিনের উৎসবের সূচনায় কী বললেন মমতা?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বোধন করলেন কলকাতার ১৫ তম ক্রিসমাস উৎসবের।
এক সপ্তাহ পরই ২৫ ডিসেম্বর। তার আগেই আজ ১৮ ডিসেম্বর ১৫ তম কলকাতা ক্রিসমাস ফেস্টিভালের উদ্বোধন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পার্কস্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের এক অনুষ্ঠানে তিনি এই অনুষ্ঠানের সূচনাপর্ব সম্পন্ন করেন। শহর কলকাতার পাশপাশি এদিন দিদি জেলারও বিভিন্ন গির্জার শুভ উদ্বোধন করেন।

চলতি বছরে কলকাতার বড়দিনের উৎসব ১৫ বছরে পা দিয়েছে। সেই উৎসবের শুভ উদ্বোধন হয়ে গেল আজই। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, আগামী ২৪ ও ২৫ ডিসেম্বর পার্ক স্ট্রিটে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকছে। বসবে না খাবারের স্টলও। সেই সময় পার্কস্ট্রিট দিয়ে হাঁটতে হবে। উল্লেখ্য, বছরের এই সময়টায় শহরের পার্টস্ট্রিটে বিপুল জনতার ভিড় হয়ে থাকে। সেই কথা স্মরণ করিয়ে দেন মমতা। একইসঙ্গে তিনি এদিনের অনুষ্ঠান উদ্বোধন করে সাফ জানিয়ে দেন, ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ক্রিসমাস উৎসব চলবে। তবে ডেকোরেশন আর স্টল থাকবে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত।
( Bangladesh Latest: ইউনুস সরকারের উপদেষ্টা নজরুলের শাশুড়ির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অভিযোগ!)
এদিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় মামতা বলেন,' আমি ছোটবেলা থেকেই মধ্যরাতের প্রার্থনায় থাকতাম। এখনও থাকি।' তিনি বলেন, ‘আমরা সব ধর্মকে পালন করি, সব ধর্মকে নিজেদের উৎসব বলে মনে করি।’ মমতা বলেন,'আমরা প্রত্যেকটা উৎসব করি। কারণ বাংলার মানুষরা মেলা, খেলা সব ভালোবাসে। পড়ুয়ারাও খুশি, ক্রিসমাস ফেস্টিভাল সবার মনে আনন্দ আনবে।' একই সঙ্গে তিনি বলেন,' এমনিতেই বহু টেনশন কেন, একটু রিল্যাক্স থাকাও দরকার।' মমতা বলেন, ‘আমরা মনে করি যে মানুষকে আনন্দে রাখা দরকার। এমনিতেই অনেক টেনশন, কেন শুধু টেনশন? একটু রিল্যাক্সেশনও দরকার। আর সেই কারণেই উৎসব একমাত্র দিতে পারে রিল্যাক্সেশন, সংযোগ, মেলামেশা, ভালো খাবার… আমাদের অনেক পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। সেখানে মানুষ যান।’
মমতা জানান, 'পর্যটনে আমরা দ্বিতীয় হয়েছি। অনেক বিদেশী এখানে এসেছেন।'একইসঙ্গে তিনি এই ক্ষেত্রে রাজ্যের প্রথম স্থান অর্জনের স্বপ্নের কথাও বলেন। পাশপাাশি তিনি এই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে সকলকে শুভেচ্ছাও জানান।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


