...
...
Next Story

Mamata praises Abhishek: 'অভিষেকের সব অন্যায় ক্ষমা হয়ে গিয়েছে....', ভাইপোর থেকে শিক্ষা নিতে বললেন মমতা

Mamata praises Abhishek: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুব্রত মণ্ডল, মদন মিত্ররা যখন বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়ে অভিষেককে নিশানা করেছেন, তখন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের পাশ দাঁড়ালেন।

Published on: Jul 15, 2026, 17:46:58 IST
Advertisement

Mamata praises Abhishek: বিপদের দিনেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে সওয়াল করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করলেন, যাঁরা এখন তৃণমূল কংগ্রেসের (কালীঘাট শিবির) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন, তাঁদের বরং অভিষেককে দেখা উচিত যে কীভাবে লড়াই করতে হয়। একের পর এক মামলা থাকা সত্ত্বেও ‘সেটিং’ করে অভিষেক মাথানত করেননি বলে দাবি করেন মমতা। তাঁর কথায়, ‘তাঁরা একটু শিক্ষা নিন (অভিষেকের থেকে)। অভিষেকের কাছে অনেক খারাপ আপনাদের কাছে। বাহানা হয়ে গিয়েছে। তো অভিষেকের বউ যদি দেড় বছরের বাচ্চাকে নিয়ে সিবিআই অফিসে যেতে পারে সাক্ষী দিতে......। তখন আপনাদের মনে নেই? ২৫-৩০টি কেস দেওয়া হয়েছে (অভিষেককে)। সেটা সহ্য করছে। একটু সেটিং করে নিলে সব থেকে রিলিফ হতে পারত।’

‘অভিষেকের সব অন্যায় ক্ষমা হয়ে গিয়েছে…..’

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে সমীর জানা/হিন্দুস্তান টাইমস)
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে সমীর জানা/হিন্দুস্তান টাইমস)

সেইসঙ্গে নাম না করে অনুব্রত মণ্ডল-সহ বিদ্রোহী তৃণমূল নেতাকর্মীরা যে অভিষেককে নিশানা করছেন, সেই আবহে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অভিষেকের সব অন্যায় ক্ষমা হয়ে গিয়েছে, যদি আপনাদের চোখে কোনও অন্যায়ও করে থাকে। সে আজকে লড়ে যাচ্ছে বাঘের মতো। এরাই লড়বে। কারণ এরাই আগামী ৫০ বছর রাজনীতি করবে।’

আরও পড়ুন: Mamata TMC 21st July Meeting Update: আপনি নিশ্চিত যে ১০,০০০ লোক হবে ২১ জুলাইয়ের সভায়? হাইকোর্টে প্রশ্ন মমতার তৃণমূলকে

অভিষেকের জন্যই জেলে যেতে হয়েছিল, বিস্ফোরক অনুব্রত

আর মমতা যেদিন সেই মন্তব্য করেছেন, সেদিনই বিদ্রোহী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরে যোগ দিয়েছেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক। নাম না করে অভিষেকের দিকে আঙুল তুলেছেন। একইসুরে অনুব্রত বলেছেন, ‘আমি কেন জেলে গেলাম? কার জন্য গেলাম? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য (জেলে) গেলাম।’

মমতার 'প্রিয়' কেষ্ট দাবি করেন, বিধানসভা ভোটের পরে তৃণমূল নেত্রী তাঁকে ফোন করেছিলেন চারবার। সেইসময় নাকি মমতাকে অনুব্রত বলেছিলেন যে ‘চোখে দেখ না, কানে দেখ তুমি।’ শুধু তাই নয়, তিনি দাবি করেছেন যে অভিষেকের জন্যই আজ তৃণমূলের এরকম দশা। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের জন্যই তৃণমূল ভেঙে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন অনুব্রত

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe