বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা ভোট। তার আগে, শনিবারই বাংলার মাটিতে পা রাখতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার রয়েছে বাংলায় তাঁর জোড়া সভা। এদিকে, শুক্রবার লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা আয়োজিত এক চায়ের আসরে আমন্ত্রিত হয়ে যোগ দেন প্রধানমমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সঙ্গে ছিলেন, রাজনাথ সিংও। এই চায়ের আড্ডাতেই ছিলেন বিরোধী কংগ্রেসের সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে এদিন প্রিয়াঙ্কার সৌজন্য কথাবার্তার খবর শিরোনাম কেড়েছে স্বভাবতই। এদিকে, রাত পোহালেই পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসছেন মোদী।

মতুয়াগড় হিসাবে পরিচিত রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্র এলাকা। সেখানেই তাহেরপুরে সভা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। একটি নয়। রয়েছে জোড়া সভা। একটি প্রশাসনিক ও একটি দলীয় সভা রয়েছে মোদীর। শনিবার নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বাংলার মাটিতে পা রাখবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি। তাহেরপুরের নেতাজি পার্ক ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। জানা গিয়েছে, জাতীয় সড়ক সংক্রান্ত দু’টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস সংক্রান্ত একটি প্রশাসনিক সভা রয়েছে শনিবারের প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে। এরপরই রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সভা। বাংলায় এসআইআর পর্ব, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি এই সবের মাঝে রানাঘাট বনগাঁ এলাকাকে প্রধানমন্ত্রী কী বার্তা দেন সেদিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
জানা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর বিমান কলকাতায় নামবে সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ।৫ মিনিটের মধ্যে তিনি হেলিকপ্টারে চড়ে পৌঁছবেন তাহেরপুর। সেখানে প্রথমেই প্রশাসনিক সভা। ১১ টা ১৫ মিনিটে নেতাজি পার্কের সভাস্থলে পৌঁছবেন মোদী। বেলা ১২টা থেকে ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত রাজনৈতিক সভার মঞ্চে পৌঁছে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলায় এসআইআর শুরুর পর এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে পা রাখবেন মোদী। ফলত মতুয়াগড়ে তাঁর বক্তব্য বেশ তাৎপর্য রাখছে। এদিকে, এলাকায় রয়েছে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা। সভাস্থলের চারিদিকেও পুলিশের নিরাপত্তা কঠোর। জানা গিয়েছে, তাহেরপুরে মোদী এই জনসভা সেরে ফের হেলিকপ্টারেই ফিরবেন কলকাতায়। সেখান থেকে রওনা দেবেন অসমের গুয়াহাটিতে। অসমে উত্তর পূর্বের দীর্ঘতম এয়ারপোর্ট টার্মিনাল উদ্বোধন করতে চলেছেন মোদী। মোদী এক পোস্টে জানান ‘আমি আগামিকাল, ২০ ডিসেম্বর আসামের গুয়াহাটিতে পৌঁছাবো। বিকেলে, লোকপ্রিয় গোপীনাথ বরদোলোই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল ভবনের উদ্বোধন করা হবে।’