Mamata postpones TMC meeting: ‘ফোন আসছিল কাল থেকেই…’, কেন মমতার বৈঠক বাতিল? বোঝালেন কুণাল, আসেননি ৬০ বিধায়ক
Mamata postpones TMC meeting: ৮০ বিধায়কের মধ্যে হাজির ২০ জন, অনুপস্থিত থাকলেন ৬০ জন। সেই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বৈঠক বাতিল হয়ে গেল। কী কারণে বৈঠক বাতিল হয়ে গেল? তা নিয়ে মুখ খুললেন কুণাল ঘোষ।
আশিজন বিধায়কের মধ্যে মেরেকেটে ২০ জন উপস্থিত ছিলেন। সেই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বৈঠক আজকের জন্য বাতিল করে দেওয়া হল। সূত্রের খবর, আজ জরুরি বৈঠক ডাকেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো। কিন্তু বৈঠকে ২০ জন বিধায়কও আসেননি। অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে কালীঘাটের বৈঠক বাতিল করে দেওয়া হয় বলে সূত্রের খবর। সেই পরিস্থিতিতে আগামী ২ জুন (মঙ্গলবার) মমতা প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নামবেন কিনা, তা নিয়ে খোঁচা দিয়েছেন বিরোধীরা। বিজেপির দাবি, এটা তো স্বাভাবিকই। তৃণমূল এখন ডুবন্ত নৌকায় পরিণত হয়েছে। ডুবন্ত নৌকা থেকে সবাই ঝাঁপ মারছেন বলে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতারা।

বৈঠক স্থগিত হয়েছে, যুক্তি দিলেন কুণাল
যদিও বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ দাবি করেছেন, বিধায়করা নিজেদের এলাকায় ব্যস্ত আছেন। শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হেনস্থার পরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাস্তায় নেমেছেন তৃণমূলের জনপ্রতিনিধি, কর্মী-সমর্থকরা। তারইমধ্যে আজ সকালে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরে হামলা করা হয়েছে। সেইসব ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় আছেন তাঁরা। অনেক জায়গায় কর্মী-সমর্থকদের আটকও করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: Metro service: এবার কি কিছু জেলাতেও মেট্রো পরিষেবা? 'সিটি মেট্রো সার্ভিস' নিয়ে কোন ইঙ্গিত রিপোর্টে!
ফোন আসছিল কাল থেকেই, দাবি কুণালের
সেই পরিস্থিতিতে শনিবার সন্ধ্যা থেকেই বিধায়করা বৈঠক স্থগিত করার আর্জি জানাচ্ছিলেন বলে দাবি করেছেন কুণাল। তিনি দাবি করেছেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মী-সমর্থকদের গ্রেফতার করেছে শুভেন্দু অধিকারীর পুলিশ। কোথাও আটক করে রাখা হয়েছে। কোথাও বসিয়ে রাখা হয়েছে থানায়। তাঁদের ছাড়ানোর জন্য বিধায়করা নিজেদের এলাকায় লড়াই করে যাচ্ছেন। তাঁদের আর্জি মেনে আপাতত বৈঠক স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন কুণাল।
মমতা কর্মসূচিতে নামবেন? জানালেন কুণাল
পাশাপাশি কুণাল এটাও জানিয়েছেন যে সোমবার রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে তৃণমূল। আর মঙ্গলবার রানি রাসমনি রোডে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ দেবেন বলেও জানিয়েছেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক।
যে কুণাল কয়েক ঘণ্টা আগেই নিশানা করেন দলেরই বিধায়ক, সাংসদ, নেতাদের। কুণাল বলেন, ‘অভিষেকের উপর হামলার প্রতিবাদে অন্য দলের জাতীয় স্তরের নেতাদের পোস্টও দেখলাম। কিন্তু আমাদের দলের বহু সাংসদ, বিধায়ক, কাউন্সিলর, পদাধিকারী, প্রাক্তন সরকারি পদাধিকারীদের পোস্ট নজরে পড়ল না। অথচ সরকারটা তৃণমূলের থাকলে তাঁদেরই অনেকের বোলচাল অন্যরকম হত। কারা দলের মঞ্চ ভাঙিয়ে নিজের কাজ করে গেল, এখন বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না। দাদা, অনুগামী, বস্, ভিডিয়ো, সেলফি- এদের একাংশ কোথায়?’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


