Nandigram Train and Haldia Bridge: নন্দীগ্রাম-হলদিয়া ব্রিজ থেকে নন্দীগ্রাম রেলপথ- রেয়াপাড়ায় দাঁড়িয়ে গণপরিবহণ নিয়ে একাধিক সুখবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে নন্দীগ্রাম-হলদিয়া সেতু তৈরির জন্য তোড়জোড় শুরু করা হয়েছে। ভূমিপুজোও হবে শীঘ্রই। পরবর্তীতে ব্রিজের যখন উদ্বোধন করা হবে, তখন তিনিই প্রথম গাড়ি নিয়ে সেতু পেরোবেন বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আবার আগামী মার্চের মধ্যেই ট্রেন চলাচলের ক্ষেত্রে নন্দীগ্রামে নয়া দিশা উন্মোচিত হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
‘ব্রিজের উপরে প্রথম গাড়িটা নিয়ে আমিই যাব’, দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

সোমবার নন্দীগ্রামের রেয়াপাড়ার সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা নিশ্চিতে থাকুন, হলদিয়ার সঙ্গে নন্দীগ্রামকে জোড়ার ব্রিজের কাজ এগিয়ে দিয়েছি। মাটি পরীক্ষা, বরাদ্দ, বাজেটে ঘোষণা - সব হয়ে গিয়েছে। ভূমিপূজনেও আমি আসব। আর ব্রিজের উপরে প্রথম গাড়িটা নিয়ে আমিই যাব।’
‘বটতলা স্টেশনে উঠব, দেশপ্রাণে নামব’, বললেন মুখ্যমন্ত্রী
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগের মুখ্যমন্ত্রী, (প্রাক্তন) মুখ্যমন্ত্রী একুশে হেরে গিয়েছিলেন বলে নন্দীগ্রামে রেল আটকে রেখেছিলেন - প্রায় ছয় একর জায়গা। আমরা ইতিমধ্যে ৩.৫ একর জায়গা রেলকে দিয়ে দিয়েছি। বাকিটাও দিয়ে দেব। আগামী মার্চ মাসের মধ্যে হরিপুর রেল স্টেশনে - আমাদের নন্দীগ্রাম বটতলা স্টেশনে উঠব এবং বাজকুল দেশপ্রাণে এসে নামব। প্রথম আমি চড়ব আপনাদের নিয়ে।’
আরও পড়ুন: Rain Forecast: বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের থাবা! আজ তুমুল বৃষ্টির পূর্বাভাস, কোন কোন জেলায় বিরাট দুর্যোগ?
নন্দীগ্রাম রেল প্রকল্প নিয়ে দীর্ঘদিনের জট
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: Rain Forecast: বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের থাবা! আজ তুমুল বৃষ্টির পূর্বাভাস, কোন কোন জেলায় বিরাট দুর্যোগ?
নন্দীগ্রাম রেল প্রকল্প নিয়ে দীর্ঘদিনের জট
{{/usCountry}}এমনিতে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেই নন্দীগ্রাম রেল প্রকল্পের জট কাটাতে উদ্যোগী হয় শুভেন্দু সরকার। জমিজটের কারণে নন্দীগ্রাম থেকে দেশপ্রাণ পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার রেললাইন প্রকল্পের কাজ দীর্ঘদিন ধরে থমকে ছিল। রেল একাধিক ওভারব্রিজ তৈরি, মাটি ভরাট, স্টেশনের কাজ অনেকটা এগিয়ে নিয়ে গেলেও রাজ্যের অসহযোগিতার কারণে সেই প্রকল্প থমকে ছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
যদিও শুভেন্দু সরকার ক্ষমতায় আসার পরই ছবিটা পালটাতে শুরু করে। আর এবার মুখ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করলেন যে সাত মাসের মধ্যেই নন্দীগ্রাম-দেশপ্রাণ ট্রেন চলাচল শুরু হয়ে যাবে। আর সেটা হলে পূর্ব মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ অংশের মানুষ উপকৃত হবেন বলে আশাবাদী রেল কর্তৃপক্ষ।