Modi on WB BJP Win 2026: পরনে ধুতি-পাঞ্জাবি, মোদী বললেন বাংলায় ‘আয়ুষ্মান ভারত লাগু’,অনুপ্রবেশ ঘিরে কড়া হবে সরকার!

মোদী এদিনের সভা থেকে বলেন, ‘শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির আত্মা কতটা শান্তি পেয়েছে, সেটা ভাবছি। উনি ১৯৫১ সালে জনসংঘর স্থাপনা করে প্রতি কার্মীকে বলেছিলেন, দেশের জন্য বাঁচতে হবে, দেশের জন্য মরতে হবে। তিনি জীবন দিয়ে প্রমাণ দিয়েছেন, যাঁরা রাষ্ট্রকে সামনে রাখে, তাঁরা প্রাণ দিতে ভয় পায় না।

Published on: May 4, 2026, 20:05:22 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতের একাধিক রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। আর সন্ধ্যা গড়াতেই দিল্লিতে বিজেপি হেডকোয়ার্টার থেকে বক্তব্য রাখেন মোদী। এদিন, মোদীর পরনে ছিল পাঞ্জাবি ও ধুতি। প্রতীকীভাবে এই সাজ পোশাকও নজর কাড়ে। বাংলার চেনা ধুতি-পাঞ্জাবি পরনে দিল্লিতে মোদী পা রাখতেই তাঁর পোশাক, কাড়ে নজর।

পরনে ধুতি-পাঞ্জাবি, মোদী বললেন বাংলায় ‘আয়ুষ্মান ভারত লাগু’,অনুপ্রবেশ নিয়েও এবার…. (Photo by Sajjad HUSSAIN / AFP) (AFP)
পরনে ধুতি-পাঞ্জাবি, মোদী বললেন বাংলায় ‘আয়ুষ্মান ভারত লাগু’,অনুপ্রবেশ নিয়েও এবার…. (Photo by Sajjad HUSSAIN / AFP) (AFP)

নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ‘আজকের দিন ঐতিহাসিক অভূতপূূর্ব। বছরের পর বছরের সাধনা সিদ্ধিতে পরিণত হয়েছে।’মোদী মনে করিয়ে দেন, বিহারের ভোটে বিজেপির জয়ের পরই তিনি বলেছিলেন, গঙ্গাজি বিহারের পরই বাংলায় প্রবেশ করে গঙ্গাসাগরে যাবেন।' মোদী বলেন, 'আজ গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর সর্বত্র শুধুই পদ্ম।… এবার পশ্চিমবঙ্গেও..।'

মোদী এদিনের সভা থেকে বলেন, ‘শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির আত্মা কতটা শান্তি পেয়েছে, সেটা ভাবছি। উনি ১৯৫১ সালে জনসংঘর স্থাপনা করে প্রতি কার্মীকে বলেছিলেন, দেশের জন্য বাঁচতে হবে, দেশের জন্য মরতে হবে। তিনি জীবন দিয়ে প্রমাণ দিয়েছেন, যাঁরা রাষ্ট্রকে সামনে রাখে, তাঁরা প্রাণ দিতে ভয় পায় না। পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অংশ করে রাখতে শ্যামাপ্রসাদজ লড়াই করেছিলেন। উনি যে সমৃদ্ধ ভারতের স্বপ্ন দেখেছেন, তা অপেক্ষা করছিল পূরণ হতে।’

মোদী বলেন, ‘আর ৪ মে ২০২৬ বাংলার জনতা সেই স্বপ্ন পূরণে বিজেপির কর্মকর্তারা সেই সুযোগ দিয়েছে। বাংলার ভাগ্যে নতুন অধ্যায় জুড়েছে। বাংলা আজ থেকে ভয় মুক্ত হয়েছে। বিকাশের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। বাংলায় পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। এই জয়ের সঙ্গে সঙ্গে বন্দে মাতরমের দেড়শো বছরে ও ঋষি বঙ্কিমজিকে বাংলার মানুষ নম করেছেন। শ্রী অরবিন্দকেও বাংলার জনতা শ্রদ্ধা জানিয়েছে ভোটের মাধ্যমে।’

এদিনের ভাষণে মোদী বলেন, ‘বাংলায় আমাদের বহু কর্মীরা এই জয়ের জন্য জীবন সমর্পিত করেছেন, মহিলা কর্মীরা বহু অত্যাচার সহ্য করেছেন। বাংলায় জয়ের শ্রেয় প্রতিটি কর্মী ও তাঁদের পরিবারের। এই জয় বাংলার জনতাকে উৎসর্গ করছি। ৪ মের সন্ধ্যা এখন হলেও, বাংলার পবিত্র ভূমিতে এক সূর্যোদয় হয়েছে। এই ভোর এমন, যে, যার অপেক্ষা প্রজন্ম করেছে। আজ থেকে বাংলার ভবিষ্যতের এমন যাত্রা শুরু হচ্ছে, যেখানে বিকাশ, অটুট বিশ্বাস আর নতুন ইচ্ছা একসঙ্গে হাঁটবে।’

মোদী বলেন, ‘প্রতিটি বাংলার অধিবাসীকে ভরসা দিচ্ছি, বাংলার ভালো ভবিষ্যতের জন্য বিজেপি দিনরাত এক করবে। বাংলায় মহিারা নিরাপত্তা পাবে, যুবরা চাকরি পাবেন। পলায়ন থামবে। প্রথম মন্ত্রিসভা আয়ুষ্মান ভারতের সবুজ সংকেত পাবে।অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা হবে।.. ২৫ বৈশাখ, ৯ মের দিন দূরে নয়। রবীন্দ্রনাথের কথা উল্লেখ করে মোদী বলেন, আমাদেরও ইচ্ছা তাঁর দেখানো পথেই ভয়মুক্ত পরিবেশ বাংলায় বিজেপি তৈরি করবে। আর এটা মোদীর গ্যারান্টি।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বাংলার এই ভোট, আরও একটি দিক থেকে বিশেষ। বাংলার ভোটের সময় কেমন খবর আসত… হিংসা, ভয়, নির্দোষদের মৃত্যু। তবে এবার পুরো দেশ দেখেছে নতুন খবর শুনেছে, পশ্চিমবঙ্গে শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। এটা প্রথমবার হয়েছে। বাংলার প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কাছে অনুরোধ করেন, বাংলার হিংসার রাজনীতি থেকে বাংলাকে দূরে রাখার বার্তা দিয়েছেন মোদী।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More