West Bengal Election 2026 2nd Phase: ভোটের পারদে উত্তপ্ত ভাঙড়! 'জয় বাংলা' স্লোগান শুনতেই তেড়ে গেলেন নওশাদ, খোঁচা শওকতের

West Bengal Election 2026 2nd Phase: বুধবার মহারণের দ্বিতীয় দফা। সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ ভোট হলেও বেলা বাড়লে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির ছবি ধরা পড়েছে। বিশেষ করে দ্বিতীয় দফায় চেনা ফর্মে ফিরল ভাঙড়।

Published on: Apr 29, 2026, 14:44:38 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

West Bengal Election 2026 2nd Phase: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় সকাল থেকেই উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়। শেষ দফা বঙ্গ ভোটে সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পর্ব চললেও ভাঙড় রয়েছে সেই ভাঙড়েই, তা বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই আরও স্পষ্ট হয়ে গেল। দুপুর গড়াতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠে ভাঙড়ের প্রাণগঞ্জ অঞ্চলের রঘুনাথপুর এলাকা। আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিক্কি প্রাণগঞ্জ পৌঁছতেই তাঁকে ঘিরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের বিরুদ্ধে। পাল্টা নওশাদও তাঁদের দিকে তেড়ে যান। পিছু হটেননি ঘাসফুল শিবিরের কর্মীরাও। এরপরেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন আইএসএফ ও তৃণমূল কর্মীরা। শেষমেশ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা সেখানে পৌঁছে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি শান্ত করে।

ভোটের পারদে উত্তপ্ত ভাঙড়!
ভোটের পারদে উত্তপ্ত ভাঙড়!

বুধবার মহারণের দ্বিতীয় দফা। সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ ভোট হলেও বেলা বাড়লে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির ছবি ধরা পড়েছে। বিশেষ করে দ্বিতীয় দফায় চেনা ফর্মে ফিরল ভাঙড়। এদিন সকালে ভাঙড়বাসীর দিনটা শুরু হয়েছিল একটু অন্য রকমভাবে। নির্বাচনের দিন এমন শান্ত সকাল বোধহয় অনেকদিন দেখেননি তাঁরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারায় সকলে নির্ভয়ে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। ইভিএম বিভ্রাট হওয়ায় কোথাও কোথাও ভোট দেরিতে শুরু হয়েছে। এছাড়া আর তেমন কোনও সমস্যা হয়নি। কিন্তু রোদ চড়তেই রাজনীতির উত্তাপও বাড়ল ভাঙড়ে। আইএসএফ নওশাদ সিদ্দিকি সকাল থেকেই বিভিন্ন স্পর্শকাতর বুথে ঘুরছেন। কিন্তু প্রাণগঞ্জে ঢুকতেই তাঁকে দেখে তৃণমূল কর্মী, সমর্থকরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন বলে অভিযোগ। তার জেরেই উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি।

তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের স্লোগান শুনেই নওশাদ রীতিমতো তেড়ে যান তাঁদের দিকে। তাঁকে বলতে শোনা যায়, 'কী হয়েছে? এত তাড়া কীসের?' স্পষ্ট বোঝা যায়, আইএসএফ প্রার্থী মেজাজ হারিয়েছেন। এরপর কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। এখানেই শেষ নয়। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রাণগঞ্জে আইএসএফ ও তৃণমূল কর্মী, সমর্থকরা নিজেদের মধ্যে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। সেখানেও নিজের দলের কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে পৌঁছে যান আইএসএফ প্রার্থী। তাঁকে দেখে ফের স্লোগান ওঠে। এরপরেই ঘটনাস্থলে ভাঙড় থানার বিশাল পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ নিয়ে ভাঙড়ের তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লা বলেন, 'ওঁর (নওশাদ) আচার, ব্যবহার কিছুই সুস্থ, স্বাভাবিক মানুষের মতো নয়। এসব দেখে বোঝা যায়, বদ্ধ উন্মাদ। ওঁর অভিযোগ, কথাবার্তাকে আমরা গুরুত্ব দিই না।'

প্রসঙ্গত, ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটে রেকর্ড ৯১.৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছিল। বুধবারের ভোটে ১,৪৪৮ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে, যার মধ্যে ১,২২৮ জন পুরুষ এবং ২২০ জন মহিলা। নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের জন্য সমস্ত ব্যবস্থা করেছে। মোট ৩.২২ কোটির বেশি ভোটারের মধ্যে ৩.২১ কোটি সাধারণ ভোটার এবং প্রায় ৪০,০০০ সার্ভিস ভোটার। পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১.৬৪ কোটি এবং মহিলা ভোটারের সংখ্যা ১.৫৭ কোটি। ৭৯২ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।