New Town BJP Worker Murder: নিউটাউনে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনা গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সহ ৪ জন
গত ৫ মে বিজেপি কর্মী মধু মণ্ডলকে খুন করা হয়েছিল ভোট পরবর্তী হিংসায়। অভিযোগ, তৃণমূল নেতা কমল মণ্ডল এবং তার অনুগামীরা ওই বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
নিউটাউনে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সহ ৪ জন। ধৃত তৃণমূল নেতার নাম কমল মণ্ডল। টেকনো সিটি থানার পুলিশ বুধবার ভোরে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে। গত ৫ মে বিজেপি কর্মী মধু মণ্ডলকে খুন করা হয়েছিল ভোট পরবর্তী হিংসায়। অভিযোগ, তৃণমূল নেতা কমল মণ্ডল এবং তার অনুগামীরা ওই বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

রিপোর্ট অনুযায়ী, নিউটাউনের বালিগড়ী এলাকার বাসিন্দা মধু মণ্ডলের মৃত্যুর পরে বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এলাকার তৃণমূল কর্মীদের সাতদিনের মধ্যে শুধরে যাওয়ার নিদান দিয়েছেন এলাকায় জয়ী প্রার্থী পীযূষ কানোড়িয়া। নয়ত তিনি 'অ্যাকশন' নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। যদিও কর্মীদের উদ্দেশে শান্ত থাকার বার্তা দেন তিনি। এদিকে খুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। সেই সময় উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছিল। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় বিক্ষোভকারীদের। সেই সময় মৃত বিজেপি কর্মীর পরিবারের সদস্যরাও পুলিশের লাঠির আঘাতে আহত হয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের।
উল্লেখ্য, রাজারহাট-নিউটাউন বিধানসভার জয়ী বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে বিজয় মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন মধু। সেই সময় আচমকা ওই মিছিলে তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডারা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। মহিলাদের উপর মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। মধু মণ্ডলকে বেদম মারধর করার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ ছিল, সেই হামলার সময় পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


