Mahakal Yoga Centre in Siliguri: শিলিগুড়িতে প্রস্তাবিত মহাকাল মন্দিরের জায়গায় একটি যোগা সেন্টার তৈরি করা হবে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে সেই প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা। আপাতত যা পরিকল্পনা, তাতে মাটিগাড়ায় যে জমিতে মহাকাল মন্দির তৈরির জন্য ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে গিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার, সেখানেই যোগা সেন্টারের পাশাপাশি মহাদেবের একটি মূর্তিও তৈরি করা হবে। যোগা সেন্টারের নাম রাখা হতে পারে ‘মহাকাল যোগা সেন্টার’। তাছাড়া ওই জমিতে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা কেন্দ্র গড়ে তোলারও পরিকল্পনা করা হয়েছে।
কেন প্রস্তাবিত মহাকাল মন্দির প্রকল্প বাতিল করা হল?

আর কেন প্রস্তাবিত মহাকাল মন্দির তৈরি করা হবে না, তারও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের শীর্ষ মহল থেকে। ওই মহলের তরফে জানানো হয়েছে, সরকারি টাকায় এরকমভাবে মন্দির তৈরি করা যায় না। তাই মমতা আমলে প্রকল্প বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। বরং সুস্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে একটি যোগা সেন্টার তৈরি করা হবে। পাশাপাশি সাজিয়ে তোলা হবে পুরো জায়গাকে, যাতে একটা শান্তিময় ও মায়াবী পরিবেশ তৈরি করা হয়। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে পুজোর পর থেকেই কাজ শুরু হয়ে যাবে বলে সূত্রের খবর।
বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি তৈরির ঘোষণা করেছিলেন মমতা
এমনিতে বিধানসভা নির্বাচনের মাসকয়েক আগেই শিলিগুড়ির মাটিগাড়া-লক্ষ্মী টাউনশিপ এলাকায় মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইসময় তিনি জানিয়েছিলেন, ১৭.৪১ একর জমিতে গড়ে উঠতে চলা ওই মহাকাল মন্দির হবে বিশ্বের অন্যতম উচ্চতম। তৈরি করা হবে বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি। সেটির উচ্চতা হবে মোট ২১৬ ফুট (মূর্তির উচ্চতা ১০৮ ফুট এবং ভিতের উচ্চতা ১০৮ ফুট)।
{{/usCountry}}এমনিতে বিধানসভা নির্বাচনের মাসকয়েক আগেই শিলিগুড়ির মাটিগাড়া-লক্ষ্মী টাউনশিপ এলাকায় মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইসময় তিনি জানিয়েছিলেন, ১৭.৪১ একর জমিতে গড়ে উঠতে চলা ওই মহাকাল মন্দির হবে বিশ্বের অন্যতম উচ্চতম। তৈরি করা হবে বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি। সেটির উচ্চতা হবে মোট ২১৬ ফুট (মূর্তির উচ্চতা ১০৮ ফুট এবং ভিতের উচ্চতা ১০৮ ফুট)।
{{/usCountry}}প্রস্তাবিত মন্দিরের নামও ঠিক করে ফেলেছিলেন মমতা
সেইসঙ্গে মমতা জানিয়েছিলেন, প্রস্তাবিত মহাকাল মন্দিরে থাকবে দুটি নন্দীগৃহ। মন্দির চত্বরে ১২টি অভিষেক লিঙ্গ মন্দির তৈরি করা হবে। সেখানে ভারতের ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গেরই প্রতিমূর্তি থাকবে বলে জানিয়েছেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি প্রস্তাবিত মন্দিরের নামও ঠিক ফেলেছিলেন। নাম দেওয়া হয়েছিল ‘মহাকাল মহাতীর্থ মন্দির।’ যেখানে প্রতিদিন এক লাখ পুণ্যার্থী আসতে পারবেন বলে জানিয়েছিলেন মমতা।