Noapara VVPAT Slip Row: 'নোয়াপাড়ার VVPAT স্লিপ পড়ে মধ্যমগ্রামের রাস্তায়', নির্বাচন কমিশনকে নিশানা বাম এবং তৃণমূল কংগ্রেসের। সোমবার ভোটগণনা হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের। তার আগেরদিন এরকম অভিযোগ উঠল।
নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের ভিভিপ্যাট স্লিপ পড়ে আছে মধ্যমগ্রামের রাস্তায় - এমনই অভিযোগ তুলল তৃণমূল কংগ্রেস এবং সিপিআইএম। একাধিক ভিডিয়ো (সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা) দেখিয়ে তৃণমূল এবং বামেদের তরফে দাবি করা হয়েছে, নোয়াপাড়া বিধানসভার প্রার্থীদের নাম ও দলের প্রতীক সম্বলিত ভিভিপ্যাট স্লিপ রাস্তায় পড়ে আছে। নোয়াপাড়ার তৃণমূল প্রার্থী হলেন তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য এবং সিপিআইএম প্রার্থী হলেন গার্গী চট্টোপাধ্যায়। আর বিজেপির টিকিটে লড়েছেন অর্জুন সিং। বাম ও তৃণমূলের দাবি, তাঁদের প্রার্থীদের নামেরই বেশিরভাগ ভিভিপ্যাট স্লিপ ছড়িয়ে আছে রাস্তায়। যদিও বিষয়টি নিয়ে আপাতত নির্বাচন কমিশন বা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।
বামেদের স্লিপই বেশি, দাবি CPIM প্রার্থীর
নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের ভিভিপ্যাট স্লিপ মধ্যমগ্রামের রাস্তায় পড়ে থাকার অভিযোগ উঠল।
{{^htLoading}} {{/htLoading}}
বিরোধীরা অবশ্য পুরো ঘটনায় কমিশনের বিরুদ্ধে গাফলতির অভিযোগ তুলেছেন। বিষয়টি নিয়ে নোয়াপাড়া কেন্দ্রের সিপিআইএম প্রার্থী গার্গী বলেছেন, ‘এ ধরনের ঘটনা নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর প্রশ্ন তোলে। উদ্ধার হওয়া ভিভিপ্যাট স্লিপগুলির মধ্যে বামেদের ভোটের স্লিপই সবথেকে বেশি দেখা গিয়েছে।’
বিজেপি ও কমিশনের নোংরা খেলা, আক্রমণ তৃণমূল নেত্রীর
একইসুরে বিজেপি ও কমিশনের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে তৃণমূল। উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার কাউন্সিলর ও দমদম-ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার মহিলা তৃণমূলের সহ-সভানেত্রী সুপ্রিয়া দাস বলেছেন, ‘বিজেপি ও নির্বাচন কমিশন নোংরা খেলা শুরু করে দিয়েছে। ইছাপুর নীলগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত সুভাষ নগরে একটি সার্ভিস সেন্টারের সামনে জঙ্গলের মধ্যে পড়ে আছে নোয়াপাড়া বিধানসভার হাজার-হাজার ভিভিপ্যাট। যার বেশিরভাগ তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের। (বিজেপির) সব চক্রান্ত হারিয়ে জিততে হবে (আমাদের)।’
ভবানীপুরের কাউন্টিং এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠক করে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাটে নিজের বাসভবনে সেই বৈঠক করেন। সেখানে হাজির ছিলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তারপর তিনি বলেন, ‘বিপুল ভোটে ভবানীপুর থেকে জিতবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’
অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা:
অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।