Police on Suvendu PA murder case: শিলিগুড়ির গাড়ি, ভুয়ো নম্বর প্লেট ও লাইভ কার্তুজ- বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের খুনের ঘটনায় এমনই সব তথ্য উঠে এল। বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের বেসরকারি হাসপাতালে আসার পরে রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা বলেছেন, ‘আমরা তদন্ত শুরু করে দিয়েছি। আমরা একটি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছি, যেটিকে অপরাধের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে যে নম্বর প্লেট বিকৃত করা হয়েছে। যে গাড়ির নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, সেটা আসলে শিলিগুড়ির একটি গাড়ির। কিন্তু আসলে এটা বিকৃত করা হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থল থেকে কয়েকটি কার্তুজ ও লাইভ রাউন্ড বাজেয়াপ্ত করেছি। আমরা যে তথ্য পেয়েছি, সেেটা ধরে এগিয়ে চলেছি। আর এই মুহূর্তে আমি শুধু এই তথ্যগুলোই জানাতে পারি।’
একেবারে কাছ থেকে গুলি করা হয় চন্দ্রনাথদের

সূত্রের খবর, বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন শুভেন্দুর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ (আদতে পূর্ব মেদিনীপুরের ছেলে হলেও এখন মধ্যমগ্রামে থাকতেন)। মধ্যমগ্রামে রাত সাড়ে ১০ টা থেকে ১১ টার মধ্যে তাঁর গাড়ি থামাতে বাধ্য করে আততায়ীরা। তারপর একেবারে কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ হন চন্দ্রনাথ এবং গাড়ির চালক বুদ্ধদেব বেরা।
হৃদপিণ্ড ফুটো করে দেয় একটি গুলি, পেটে লাগে অপরটি
দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে মধ্যমগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চন্দ্রনাথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে বুদ্ধদেবকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। এক চিকিৎসক বলেছেন, ‘মৃত অবস্থায় চন্দ্রনাথকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাঁর বুকে একটি লেগেছিল। সেটা হৃদপিণ্ড ফুটো করে দেয়। আর অপর গুলিটি তাঁর পেটের কাছে লাগে।’
আরও পড়ুন: Suvendu PA Killed: ‘মনে রেখো তৃণমূল..’, গুলি করে খুন শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ক, হুঁশিয়ারি রুদ্রনীলের!
তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিজেপির
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: Suvendu PA Killed: ‘মনে রেখো তৃণমূল..’, গুলি করে খুন শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ক, হুঁশিয়ারি রুদ্রনীলের!
তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিজেপির
{{/usCountry}}আর সেই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। নোয়াপাড়ার নব-নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং দাবি করেন, দোষীদের এনকাউন্টার করা হোক। ঘটনার পিছনে তৃণমূল কংগ্রেসের হাত আছে বলে দাবি করেন অর্জুন। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও দাবি করেছেন যে ঘটনার পিছনে তৃণমূলের হাত আছে। বিজেপিকে বার্তা দিতেই তৃণমূল সেই কাজ করেছে।
অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের
যদিও খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। বরং রাতেই তৃণমূলের তরফে বলা হয়েছে, ‘আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও গত তিনদিন ধরে বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতকারীদের দ্বারা সংঘটিত নির্বাচন-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় আরও তিনজন তৃণমূল কর্মীর হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি আমরা। আমরা এই বিষয়ে কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। আদালতের নজরদারিতে সিবিআই তদন্ত করতে হবে।’