BJP on Suvendu assisant killing: 'মমতা-অভিষেকের হাত আছে' শুভেন্দুর আপ্ত-সহায়ক খুনে, ফল ভুগতে হবে,বিস্ফোরক কৌস্তুভ
BJP on Suvendu assisant killing: সরাসরি মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত আছে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত-সহায়ক খুনের ঘটনায়, অভিযোগ করলেন কৌস্তুভ বাগচী। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন, তৃণমূল বার্তা দিতে চাইল।
BJP on Suvendu assisant killing: মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত-সহায়ক খুনের ঘটনায় সরাসরি মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত আছে - অভিযোগ করলেন ব্যারাকপুরের নব-নির্বাচিত কৌস্তুভ বাগচী। সংবাদমাধ্যম এবিপি আনন্দে তিনি দাবি করেছেন, এতদিন বিজেপি ভদ্রতা ও শৃঙ্খলার রাজনীতি করে এসেছে। যেভাবে চন্দ্রনাথ রথকে খুন করা হল, তাতে কাউকে ছাড়া হবে না। এই ঘটনার পিছনে সরাসরি মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত আছে বলে দাবি করেন কৌস্তুভ। সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, যতক্ষণ দোষীদের গ্রেফতার করা হবে না, ততক্ষণ মৃতদেহ দাহ করা হবে না।

'শুভেন্দুর আপ্ত-সহায়ককে খুন করে বার্তা দিতে চাইছে'
একইসুরে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আঙুল তুলেছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। ওই সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেছেন, এটাই প্রত্যাশিত ছিল। কত নীচে নামতে পারে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি, তৃণমূল সংস্কৃতি, এটাই তার প্রমাণ। আট মাস ধরে একটাই কথা বলে আসছিলেন যে তৃণমূল সরকার চলে যাওয়ার পরে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার দায়িত্ব নিতে হবে রাজ্যপাল ও নির্বাচন কমিশনকে। এখন তৃণমূল তৃণমূলকে মারছে। আজ কোনও কিছু করতে না পেরে শুভেন্দুর আপ্ত-সহায়ককে মেরে ফেলা হল। এটার মাধ্যমে একটা বার্তা দিতে চাইছে বলে অভিযোগ করেন শমীক।
বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা
তারইমধ্যে হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছেন শুভেন্দু। এসেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং নোয়াপাড়ার নব-নির্বাচিত বিধায়ক অর্জুন সিং। হাসপাতালের সামনে প্রচুর বিজেপি সমর্থক জড়ো হয়েছেন। তাঁরা ফেটে পড়েছেন বিক্ষোভে। তাঁদের অভিযোগ, এই ঘটনার পিছনে বিধায়ক রথীন ঘোষের হাত আছে। তাঁকে ইডি তলব করেছিল বলে শুভেন্দুর আপ্ত-সহায়ককে নিশানা করে খুন করা হয়েছে।
সিবিআই তদন্তের দাবি তুলল তৃণমূল
তারইমধ্যে সেই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি করা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। তৃণমূলের তরফে বলা হয়েছে, ‘আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও গত তি দিন ধরে বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতকারীদের দ্বারা সংঘটিত নির্বাচন-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় আরও তিনজন তৃণমূল কর্মীর হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি আমরা। আমরা এই বিষয়ে কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। আদালতের নজরদারিতে সিবিআই তদন্ত করতে হবে, যাতে দোষীদের অবিলম্বে শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনা যায়। গণতন্ত্রে হিংসা এবং রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের কোনও স্থান নেই। দোষীদের বিরুদ্ধে যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নিতে হবে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


