Organ Donation Awareness: একটি ফোনই বদলে দিতে পারে জীবন! অঙ্গদান নিয়ে ভুল ধারণা সরিয়ে সচেতনতায় জোর
Organ Donation Awareness: অঙ্গদান নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির উপরে জোর দেওয়া হল। ভারতে মৃত ব্যক্তির অঙ্গদানের হার এখনও বিশ্বের অন্যতম কম। এর পিছনে সচেতনতার অভাব, ভয়, ভুল ধারণা এবং সামাজিক চিন্তাভাবনাও বড় কারণ।
Organ Donation Awareness: চিকিৎসাবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতির ফলে আজ অঙ্গ প্রতিস্থাপন বহু মুমূর্ষু মানুষের জীবন বাঁচানোর এক পরম ভরসা হয়ে উঠেছে। কিন্তু আধুনিকতম প্রযুক্তি ও দক্ষ চিকিৎসকের উপস্থিতি সত্ত্বেও স্রেফ অঙ্গের অভাবে মাঝেমধ্যেই মৃত্যু হচ্ছে। হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরের অপেক্ষার তালিকায় জমা হওয়া প্রতিটি সংখ্যা কেবল কোনো নীরস পরিসংখ্যান নয়- প্রতিটি সংখ্যার পিছনে স্পন্দিত হয় একটি করে নতুন জীবনের আশা, এক একটি পরিবারের দীর্ঘশ্বাস ও বুকভরা স্বপ্ন।

ভুল ধারণা দূর করে সচেতনতার উপরে জোর
তবে ভারতে মৃত ব্যক্তির অঙ্গদানের হার এখনও বিশ্বের অন্যতম কম। এর পিছনে সচেতনতার অভাব, ভয়, ভুল ধারণা এবং সামাজিক চিন্তাভাবনাও বড় কারণ। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে কলকাতার মণিপাল হাসপাতালের তরফে ‘শুরুয়াত ঘর সে’ কর্মসূচির শুরু করা হয়েছে। সেই কর্মসূচি চালুর আলোচনা চক্রে অঙ্গদান নিয়ে মানুষের ভুল ধারণা দূর করা, পরিবারে অঙ্গদান নিয়ে সঠিকভাবে কথা বলা, মৃত ব্যক্তির অঙ্গদান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং অঙ্গ প্রতিস্থাপনের পুরো ব্যবস্থাকে আরও সহজ এবং মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
‘আরও বেশি মানুষকে এগিয়ে এসে অঙ্গদান করতে হবে’, বার্তা চিকিৎসকের
বিষয়টি নিয়ে মণিপাল হসপিটালের (পূর্ব) আঞ্চলিক অধিকর্তা অয়নাভ দেবগুপ্ত বলেন ‘ট্রান্সপ্লান্টের অপেক্ষার তালিকায় থাকা প্রতিটি সংখ্যার পিছনে একজন মানুষ রয়েছেন। কেউ একজন মা, যিনি তাঁর সন্তানের কাছে ফিরতে চান; কেউ একজন তরুণ, যিনি আবার নিজের ভবিষ্যৎ গড়তে চান; আবার কোনও পরিবার এমন একটি ফোনের অপেক্ষায় থাকে, যা তাদের জীবন বদলে দিতে পারে।'
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, '২০২৫ সালে ভারতে ২০,০০০-এর বেশি ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে। তবুও ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত প্রায় ৯০,০০০ মানুষ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এই সংখ্যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে শুধু চিকিৎসার উন্নতি দিয়ে এই সমস্যা মেটানো সম্ভব নয়। আরও বেশি মানুষকে এগিয়ে এসে অঙ্গদান করতে হবে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


