Kolkata Unified Digital Parking System: পার্কিং ফাঁকা আছে? অ্যাপ থেকেই জেনে যাবেন! কলকাতায় চালু হচ্ছে ডিজিটাল সিস্টেম
Kolkata Unified Digital Parking System: কলকাতায় 'ইউনিফায়েড ডিজিটাল পার্কিং সিস্টেম' চালু করছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। যে পার্কিং সিস্টেমের ফলে যাঁদের গাড়ি আছে, তাঁদের ব্যাপক সুবিধা হবে। কী কী সুবিধা পাবেন?
Kolkata Unified Digital Parking System: শীঘ্রই কলকাতায় চালু হতে চলেছে 'ইউনিফায়েড ডিজিটাল পার্কিং সিস্টেম' চালু করা হতে চলেছে। এই ডিজিটাল অ্যাপ ও প্রসেসের মাধ্যমে শহরের পার্কিং পরিকাঠামোকে সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বচ্ছ করে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর. সম্প্রতি রাজ্য নগরোন্নয়ন ও পুর বিষয়ক দফতর এবং কলকাতা পুরনিগমের যৌথ উদ্যোগে চূড়ান্ত হয়েছে এই নতুন ডিজিটাল পার্কিং পলিসি ও রূপরেখা তৈরির সিদ্ধান্ত। এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হল শহরের যে কোনও প্রান্তে চালকদের জন্য খালি পার্কিং স্পট খুঁজে পাওয়া সহজ করা। সেইসঙ্গে অসৎ উপায়ে বেআইনি পার্কিং ফি তোলা সম্পূর্ণ বন্ধ করা।

কীভাবে কাজ করবে এই 'ইউনিফায়েড ডিজিটাল পার্কিং সিস্টেম'?
প্রস্তাবিত এই সেন্ট্রাল ডিজিটাল পার্কিং ব্যবস্থায় একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা হবে, যেখানে শহরের সমস্ত অনুমোদিত পার্কিং জোনের রিয়েল-টাইম আপডেট পাওয়া যাবে। গাড়িচালকরা তাঁদের স্মার্টফোনের মাধ্যমে অ্যাপে লগ-ইন করেই দেখতে পাবেন তাঁদের বর্তমান অবস্থানের কাছাকাছি কোথায় কতগুলি পার্কিং স্লট খালি রয়েছে।
নয়া ব্যবস্থার ফলে কী কী সুবিধা হবে?
১) রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং: গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই নির্দিষ্ট পার্কিং স্থানে খালি জায়গা আছে কিনা, তা অ্যাপ থেকে সরাসরি জেনে গাড়ি নিয়ে যাওয়া যাবে।
২) ডিজিটাল ও ক্যাশলেস পেমেন্ট: অতিরিক্ত বা বেআইনি নগদ টাকা চাওয়ার পথ বন্ধ করতে ইউপিআই, কিউআর কোড ও ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট গ্রহণের ব্যবস্থা থাকবে।
৩) সঠিক মূল্য নির্ধারণ: পুরসভা নির্ধারিত নির্দিষ্ট ফি অনুযায়ী সরাসরি ডিজিটাল রসিদ পাওয়া যাবে, ফলে বাড়তি টাকা দাবি করার কোনও সুযোগ থাকবে না।
৪) প্রি-বুকিং সুবিধা: ব্যস্ত এলাকাগুলিতে যাওয়ার আগে আগেভাগেই পার্কিং স্লট বুক করে রাখার সুবিধাও ভবিষ্যতে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
অতিরিক্ত ফি ও বেআইনি পার্কিং রোখে কড়া বার্তা
কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে গাড়ি পার্কিং করা নিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগের শেষ নেই। পার্কিংয়ের দায়িত্ব পাওয়া এজেন্সি বা তাদের কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রায়শই নির্ধারিত হারের চেয়ে দ্বিগুণ বা তিনগুণ টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠত। নতুন এই ডিজিটাল পার্কিং ব্যবস্থা চালুর পর সমস্ত লেনদেন অনলাইনেই পরিচালিত হবে। ফলে পার্কিং ফি নিয়ে যে জালিয়াতি ও চালকদের হয়রানি চলত, তাতে ইতি টানা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


