Biswakarma Puja 2026 Permission: বিশ্বকর্মা পুজো করতে চেয়ে হাইকোর্টে কমরেডরা, রাজ্যের ‘আপত্তির’ পরও মিলল অনুমতি
Biswakarma Puja 2026 Permission: রাজ্য সরকারের আপত্তি সত্ত্বেও হলদিয়া ডকে বিশ্বকর্মা পুজোর অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরকারকে আক্রমণ শানালেন সিপিআইএম নেতা সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়।
Biswakarma Puja 2026 Permission: হলদিয়া বন্দরের জমিতে বিশ্বকর্মা পুজো করার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আপত্তি সত্ত্বেও হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যে বিশ্বকর্মা পুজো আয়োজনের জন্য পুলিশকে প্রয়োজনীয় অনুমতি দিতে হবে। আর সেক্ষেত্রে সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তিনি জানিয়েছেন, আগামিকালের মধ্যেই হলদিয়া থানাকে পুজোর অনুমতি দিতে হবে, যাতে দমকলের থেকে এনওসি জোগাড়ের জন্য আবেদন করতে পারে কমিটি।

আর হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে হলদিয়া শোধনাগার শ্রমিক কর্মচারী বিশ্বকর্মা পুজো উৎসব কমিটির করা মামলার প্রেক্ষিতে। হলদিয়া ডক কমপ্লেক্সে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় পোর্ট ট্রাস্টের জমিতে বিশ্বকর্মা পুজো আয়োজনের অনুমতি চাওয়া হয় ওই সংগঠনের তরফে।
'পুলিশের NOC ছাড়া দমকল অনুমতি দেয়নি', বলেন আইনজীবী
পুজো কমিটির আইনজীবী দাবি করেন, স্থানীয় পুলিশের থেকে নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) না নিলে বিশ্বকর্মা পুজোর জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি দেওয়া হবে না বলে দমকল বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে কমিটির তরফে পুলিশের কাছে পুজো আয়োজনের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়।
আরও পড়ুন: Bus Fare Hike in Bengal: বাসে উঠলেই ২০ টাকা? পুজোর পরেই বাসভাড়া বাড়তে পারে রাজ্যে, ইঙ্গিত মন্ত্রীর
CISF-র থেকে NOC নিতে হবে, সওয়াল রাজ্য সরকারের
যদিও সেই মামলার বিরোধিতা করে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে সওয়াল করা হয় যে সিআইএসএফের থেকে এনওসি নিতে হবে আয়োজকদের। সেই প্রস্তাব নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন তোলে হাইকোর্ট। বিচারপতি ভট্টাচার্য জানান, যেখানে বিশ্বকর্মা পুজো করার আর্জি জানানো হয়েছে, সেটা বন্দর কর্তৃপক্ষের জমি। ফলে তাতে সাধারণ মানুষের কোনও সমস্যা হবে না।
'এটা তো হিপোক্রেসি', রাজ্যকে আক্রমণ CPIM নেতার
বিষয়টি নিয়ে সিপিআইএম নেতা তথা আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘আদালতে ধাক্কা রাজ্য সরকারের।। হলদিয়ায় CITU-কে IOC-র গেটে বিশ্বকর্মা পুজো করার অনুমতি দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মাননীয় সৌগত ভট্টাচার্য মহাশয়।।’
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একদিকে মুখ্যমন্ত্রী নবান্নে পুষ্পাঞ্জলির জন্য বামেদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। আর অন্যদিকে বিজেপির সরকারের আমলে বিশ্বকর্মা পুজো করার জন্য CITU-কে (সিপিআইএমের শ্রমিক সংগঠন তথা কমরেডরা) সাংবিধানিক আদালতের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে।। সরকারের দ্বিচারিতা কীসের পরিচয় দেয়? এটা তো হিপোক্রেসি।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


