Ayushman Bharat Scheme: 'ভাই-বোনদের কল্যাণই...,' বাংলায় 'আয়ুষ্মান ভারত' চালু হতেই বিশেষ বার্তা PM মোদীর

Ayushman Bharat Scheme: ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কেন্দ্রীয় সরকার ‘প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা’ বা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করেছিল। এই পরিষেবার আওতায় তালিকাভুক্ত হাসপাতালগুলিতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের চিকিৎসা পরিষেবা একরকম নিখরচায় পাওয়া যায়।

Published on: May 12, 2026, 23:14:59 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Ayushman Bharat Scheme: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে পশ্চিমবঙ্গে চালু হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত।’ সোমবার রাজ্য মন্ত্রীসভার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন। কেন্দ্রীয় সরকারের এই স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে বাংলার মানুষ জুড়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

বিশেষ বার্তা PM মোদীর (Hindustan Times)
বিশেষ বার্তা PM মোদীর (Hindustan Times)

এদিন এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া একটি বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের আমার ভাই-বোনদের কল্যাণই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে রাজ্যের মানুষ বিশ্বের বৃহত্তম স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন। এই প্রকল্পে সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নতমানের চিকিৎসা পাওয়া যাবে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির সুবিধা যাতে রাজ্যের জনগণ পান, তা নিশ্চিত করবে ডবল-ইঞ্জিন সরকার।’ এর আগে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের জমানায় প্রধানমন্ত্রী মোদী যখনই এসেছেন, আয়ুষ্মান ভারত-সহ কেন্দ্রের বেশ কিছু প্রকল্পের সুবিধা থেকে রাজ্যবাসীকে বঞ্চিত করা হচ্ছে বলে তৎকালীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। এমনকী বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের কণ্ঠেও একই অভিযোগ শোনা গিয়েছে। তাই রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরই সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সঙ্গে এ রাজ্যকে জোড়ার কাজ শুরু করা হয়েছে। সোমবারই মন্ত্রীসভার বৈঠকের পর আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানান যে, এখন থেকে রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত পরিষেবা কার্যকর হবে। এই ঘোষণার মাধ্যমে সেই নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু হল।

২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কেন্দ্রীয় সরকার ‘প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা’ বা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করেছিল। এই পরিষেবার আওতায় তালিকাভুক্ত হাসপাতালগুলিতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের চিকিৎসা পরিষেবা একরকম নিখরচায় পাওয়া যায়। বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য এই প্রকল্প অত্যন্ত সহায়ক। প্রসঙ্গত, কেন্দ্র এই স্বাস্থ্য পরিষেবা গোটা দেশে চালু করেছে। অভিযোগ ওঠে, সেই পরিষেবাকে এ রাজ্যে কার্যকর হতে দেয়নি তৎকালীন তৃণমূল সরকার। উল্টে তারা ‘স্বাস্থ্যসাথী’ নামে একটি আলাদা প্রকল্প চালু করে। নির্বাচনের আগেই প্রধানমন্ত্রী মোদী-সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব ঘোষণা করেছিলেন, দল যদি ক্ষমতায় আসে, তা হলে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রের সমস্ত রকম প্রকল্পের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হবে। ঘটনাচক্রে, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে গত শনিবার শপথ নেওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই কেন্দ্রের অন্যতম প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারত কার্যকর করা হল এ রাজ্যে। রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠার পর এই সিদ্ধান্ত বাংলার সাধারণ মানুষের কাছে এক বিশাল প্রাপ্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।